জম্মু ও কাশ্মীরে কি মুসলিমরা সংখ্যালঘু, কী বলছে সর্বোচ্চ আদালত
জম্মু ও কাশ্মীরে মুসলিমদের সংখ্যালঘু ঘোষণা নিয়ে কোনও আদেশ দিতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। বিষয়টি নিয়ে তারা কেবল কেন্দ্র এবং জম্মু ও কাশ্মীর সরকাকে বলতে পারে বলে জানিয়ে দিয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরে মুসলিমদের সংখ্যালঘু ঘোষণা নিয়ে কোনও আদেশ দিতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। বিষয়টি নিয়ে তারা কেবল কেন্দ্র এবং জম্মু ও কাশ্মীর সরকাকে বলতে পারে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। কিন্তু ভারতের যেসব রাজ্যে মুসলিমরা সংখ্যালঘু সেখানে নানা সুযোগ সুবিধা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পিটিশন ফাইল করেছিলেন জম্মুর আইনজীবী অঙ্কুর শর্মা।
কেন্দ্র প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বধীন বেঞ্চকে জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। সেখানে তাদেরকে সংখ্যালঘু ঘোষণা করাটা একটি বিতর্কিত বিষয়। যে সব রাজ্যে মুসলিমরা সংখ্যালঘু, সেই সব রাজ্যেই মুসলিমরা এই সুযোগ পেয়ে থাকে।
আইনগত দিক থেকে জটিলতা রয়েছে। তারা আইনসভাকে নির্দিষ্ট ইস্যুতে নির্দেশ দিতে পারেন না। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে কেবল মাত্র অনুরোধ করতে পারেন। এমনটাই জানিয়েছেন, ডিভিশন বেঞ্চ।
বিষয়টি কেন্দ্রের মাথায় রয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে ভেনুগোপাল। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে আট সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
আট অগাস্ট, ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্র এবং অন্য পক্ষগুলিকে শেষ বারের মতো তিন মাসের সময় দিয়েছিল তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে।
সেই সময় কেন্দ্র সময় চেয়ে জানিয়েছিল, বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা চলছে।
এর আগে সর্বোচ্চ আদালত কেন্দ্র, রাজ্য সরকার এবং ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনরিটিসকে নোটিশ দেয়। কেননা আবেদনকারী জানিয়েছিলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের সংখ্যালঘুদের দেওয়া সুবিধা দেওয়া হচ্ছে ৬৮ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিমদের।
আদালত কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে একসঙ্গে বসে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলে।
সর্বোচ্চ আদালতে আবেদনকারী অঙ্কুর শর্মা জানিয়েছিলেন, রাজ্যের (জম্মু ও কাশ্মীর) ধর্মীয় ও ভাষাগত সংখ্যালঘুদের দেওয়া সুবিধা অবৈধভাবে অন্যদেরও দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা কিনা এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন।
আইনজীবী অঙ্কুর শর্মা অভিযোগ করেন, সংবিধানের ৩৭০ ধারায় ক্যাভিয়েটের কারণে ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনরিটি অ্যাক্ট লাগু করা যাচ্ছে না জম্মু ও কাশ্মীরে। যদিও, কোটি কোটি টাকার সুবিধা, যা কিনা ধর্মীয় ভাষাগত সংখ্যালঘুদের পাওয়ার কথা, তা পেয়ে যাচ্ছেন সেই রাজ্যের সংখ্যাগুরু বাসিন্দারা। আইনজীবীর অভিযোগ ছিল রাজ্য সরকার, সংবিধানের ২৯ এবং ৩০ নম্বর ধারা উল্লঙ্ঘন করছে।
জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যের সংখ্যালঘুদের চিহ্নিত করতে জম্মু ও কাশ্মীরে স্টেট মাইনরিটি কমিশন গঠনের দাবিও করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications