Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ড স্কিম একেবারেই অসাংবিধানিক! বাতিল করে জানাল সুপ্রিম কোর্ট
Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা মোদী সরকারের। সম্পূর্ণ ভাবে অসংবিধানিক। নির্বাচনী বন্ড স্কিমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। যে সমস্ত রাজনৈতিক দল এই বন্ড এখনও পর্যন্ত ভাঙায়নি তা ফেরত দিতেও নির্দেশ আদালতের।
শুধু তাই নয়, নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত (Electoral Bonds) সমস্ত তথ্য স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৯ থেকে এখনও পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড থেকে কত অর্থ পাওয়া গিয়েছে তা প্রকাশ করতে হবে এসবিআইকে। লোকসভা নির্বাচনের আগে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশ দেশের রাজনৈতিক দলগুলির কাছে বড় ধাক্কা হিসাবেই মনে করা হচ্ছে।

কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ হবে! এই কথা বলে নির্বাচনী বন্ড চালু করে মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন প্রয়াত অরুণ জেটলি এই প্রকল্পের ঘোষণা করে। ২০১৭ সালে অর্থ বিলে বেশ কিছু সংশোধনী আনে মোদী সরকার। আর তা এনে ২০১৮ সাল থেকে এই নির্বাচনী বন্ড প্রকল্প চালু করে মোদী সরকার।
নয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি, সংস্থা পরিচয় গোপন রেখে রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতে পারতেন। নুন্যতম এক হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকার বন্ড কিনে রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দেওয়ার সুযোগ ছিল।
Supreme Court holds Electoral Bonds scheme is violative of Article 19(1)(a) and unconstitutional. Supreme Court strikes down Electoral Bonds scheme. Supreme Court says Electoral Bonds scheme has to be struck down as unconstitutional. https://t.co/T0X0RhXR1N pic.twitter.com/aMLKMM6p4M
— ANI (@ANI) February 15, 2024
মোদী সরকারের এই প্রকল্প সম্পূর্ণ ভাবে অস্বচ্ছ। এক্ষেত্রে কালো টাকা রমরমা ঠেকানো হয়, বরং লেনদেন আরও বাড়বে বলে মনে করে বিরোধীরা। আর তাই মোদী সরকারের নির্বাচনী বন্ড স্কিমকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় মামলা। মোট চারটি মামলা দায়ের হয়।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায়দান স্থগিত রেখেছিল। আজ বৃহস্পতিবার সেই রায় ঘোষণা করল প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধিন বিশেষ বেঞ্চ।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় রায়দানের শুরুতেই পর্যবেক্ষণে জানান, বেঞ্চের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত। যদিও, এই ক্ষেত্রে দুটি সিদ্ধান্ত আছে, কিন্তু উপসংহার একটি। এই স্কিম সম্পূর্ণ ভাবে RTI -কে চ্যালেঞ্জ করছে। সরকার দাতাদের গোপনীয়তা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বললেও আদালত তা মনে করছে না বলে স্পষ্ট জানায় বিশেষ বেঞ্চ।
নির্বাচনী বন্ড স্কিমটি 19 1(a) ধারা-মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করে বলেও পর্যবেক্ষণে জানান প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ।
এই রায় সামনে আসার পরেই মামলার অন্যতম আবেদনকারী জয়া ঠাকুর বলেন, গোটা প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হওয়া উচিত। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের কাছে RTI মৌলিক অধিকার। সরকারের নয়া প্রকল্প সেই অধিকারকে খর্ব করছে বলে জানান জয়া।
#WATCH | On SC's verdict on a batch of pleas challenging the legality of the electoral bonds scheme, Petitioner Jaya Thakur says, "Proceeding is underway & the court has not given a judgement yet. But the court said that it should be transparent. RTI is every citizen's right.… pic.twitter.com/rVuey3RHnT
— ANI (@ANI) February 15, 2024












Click it and Unblock the Notifications