Supreme Court: বিলকিস বানো মামলার সাজাপ্রাপ্তরা রক্তপিপাসু, মুসলিমদের শিকার ও হত্যায় সিদ্ধহস্ত
সুপ্রিম কোর্ট বিলকিস বানো মামলায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল। তারা মুসলিমদের শিকার ও হত্যায় সিদ্ধহস্ত এবং রক্তপিপাসু বলে মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। বিলকিস বানো মমলা অপরাধীরা সেই পথেই চালিত হয়েছিল বলে পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।
২০০২ সালে গুজরাত দাঙ্গার সময় বিলকিস বানে গণধর্ষণ মামলা ও তাঁর পরিবারের সাত সদস্যকে হত্যায় দোষীসাব্যস্তরা মুসলিমদের শিকার ও তাদের হত্যা করার জন্য রক্তপিপালুর ভূমিকা নিয়েছিল। গত বছর ১১ জন দোষীসাব্যস্তের সাজা মকবু করে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই বিতর্ক চলছে, সেই সাজা মকুব নিয়ে।

বিলকিস বানোর পক্ষ দাঁড়ানো আইনজীবী শোভা গুপ্তা দাবি করেন, অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তাঁকে নির্মমভাবে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। তাঁর প্রথম সন্তানকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল। বিলকিস বানো বারবার তাদের কাছে কাতর প্রার্থনা করেন। বলেন, তিনি তাদের বোনের মতো। তবু কেউ তাঁকে রেহাই দেয়নি।
আসলে এই ঘটনায় অপরাধীরা মুসলিমদের শিকার করতে এবং হত্যা করতেই গিয়েছিল। রক্তপিপাসুর মতো তারা সেখান হাজির হয়েছিল। এমনকী স্লোগান গিয়েছিল এরা মুসলমান, এদের হত্যা করো। তাদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধটি ছিল বিরল এবং অস্বাভাবিক। সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত ছিল এটি।
আইনজীবী শোভা গুপ্তা বিচারপতি বিভি নাগারথনা ও বিচারপতি উজ্জল ভূইয়ানের বেঞ্চকে এ কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের ১৫ অগাস্ট সাজা মকুবের পরে দোষীদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তারপর তারা কারাগারের বাইরে উল্লাসে ফেটে পড়ে।

দোষীদের সাজা মকুবের বিরোধিতা করে কোনও লাভ হয়নি। তাদের অকাল মুক্তির বিরোধিতা করেও লাভ হয়নি। সিবিআইও বিরোধিতা করে বলেছিল, এটি সমাজের কাছে ভুল বার্তা যাবে, তাও কেউ কানে তোলেনি। তবে এই মামলায় পিছপা হননি বিলকিস বানো। তিনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
এন সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি চলছে। সোমবারের পর মঙ্গলবার আবার শুনানি হবে। এই মামলার চূ়ড়ান্ত শুনানির দিন শীর্ষ আদালত ধার্য করেছিল ৭ অগাস্ট। এদিন সেই শুনানি হয়। এরপর মঙ্গলবারও শুনানি চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।
এখানে উল্লেখ্য, বিলকিস বানো ২১ বছর বয়সি বানো পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। গোধরা ট্রেন অগ্নিকাণ্ডের পর শুরু হওয়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ভয়াবহতা থেকে পালাতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন তিনি। দাঙ্গায় নিহত পরিবারের সাত সদস্যের মধ্যে তাঁর তিন বছরের মেয়েও ছিল।












Click it and Unblock the Notifications