Bilkis Bano Case: বিলকিস বানো মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশ! ধাক্কা খেলো গুজরাত সরকার
Bilkis Bano Case: বিলকিস বানো মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বড় ধাক্কা খেলো বিজেপি নেতৃত্বাধীন গুজরাত সরকার। এদিন সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশে বলেছে, বিলকিস বানো ধর্ষণ মামলায় য়ে ১১ জনকে মুক্তি নির্দেশ গুজরাত সরকার গত বছর দিয়েছিল, তা বাতিল করা হচ্ছে। কোনও রাজ্য এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেছে সর্বোচ্চ আদালত। এটিকে প্রতারণমূলক কাজ বলেও অভিহিত করেছে সর্বোচ্চ আদালত।
বিচারপতি বিভি নগরথানা এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ এদিন এই রায় ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি বেঞ্চ বলেছে, ১১ জন আসামীর দ্রুত মুক্তির চ্যালেঞ্জ করে বিলকিস বানো যে আবেদন করেছিলেন তা বৈধ। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে যে এগারোজন মুক্তি পেয়েছিল, তাদের ফের কারাগারে ফেরত যেতে হবে।

বেঞ্চ বলেছে, গুজরাত সরকারকে দোষীদের দ্রুত মুক্তির আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি, কারণ এই ধরণের আদেশ দেওয়ার অধিকারী উপযুক্ত সরকার মহারাষ্ট্রে ছিল। কেননা বিচার হয়েছিল সেখানেই। বিচার গুজরাতে হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ হল, গুজরাত সরকারের কাছে দোষীরা তাদের তাড়াতাড়ি মুক্তির জন্য একটি আবেদন করেছিল। সরকার তা বিবেচনা করতে সক্ষম।
শীর্ষ আদালতের তরফে এই মামলায় তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে। যে কারণে শীর্ষ আদালত মে মাসে ১১ জন দোষীকে মুক্তির আদেশ দেয়। সর্বোচ্চ আদালতের তরফে বলা হয়েছে, বস্তুগত তথ্যকে চাপা দিয়ে, বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করে, গুজরাত রাজ্যের একজন দোষীর সাজা বিবেচনা করতে নির্দেশ চেয়েছিল। তবে সর্বোচ্চ আদালত থেকে গুজরাত সরকারকে শাস্তি মকুব বিবেচনা করার কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তাই এই কাজ প্রতারণামূলক বলেও মন্তব্য করা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে।
যে এগারোজন আসামীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা হল, যশোবন্ত রাই, গোবিন্দ রাই, শৈলেশ ভট্ট, রাধেশ্যাম শাহ, বিপিনচন্দ্র যোশী, কেশরভাই ভোহানিয়া, প্রদীপ মোর্ধিয়া, বাকাভাই ভোহানিয়া, রাজুভাই সোনি, মিতেশ ভাট এবং রমেশ চন্দনা। ২০২২-এর ১৫ অগাস্ট জেলে ১৫ বছর কাটিয়ে দেওয়ার কারণে এবং তাদের বয়স ও কারাবাসের আচরণ বিবেচনা করে এই মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত সময়টা ছিল গুজরাতের গোধরা দাঙ্গার সময়। গোধরায় ট্রেন পোড়ানোর পরে সেখানে দাঙ্গা হয়। ২০০২-এর ৩ মার্চ সেই দাঙ্গা থেকে পালানোর য়সময় বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ করা হয়। সেই সময় বিলকিস বানোর বয়স ছিল ২১ বছর। তিনি পাঁচমাসের গর্ভবতী ছিলেন। পরিবারের সাত সদস্যের মধ্যে তাঁর তিন বছরের মেয়ে ওই দাঙ্গায় মারা যায়।












Click it and Unblock the Notifications