বন্ধ হচ্ছে না নির্বাচনী বন্ড, সুপ্রিম কোর্টে খারিজ স্থগিতাদেশের আবেদন
বন্ধ হচ্ছে না নির্বাচনী বন্ড, সুপ্রিম কোর্টে খারিজ স্থগিতাদেশের আবেদন
দিল্লি বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপির কোষাগারে অর্থলাভের বাঁধা কাটল। নির্বাচনী বন্ডের উপর আনা স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। এতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয়েছে বিজেপির। কারণ নির্বাচনী বন্ডের আয় সবচেয়ে বেশি বিজেপির। গত লোকসভা ভোটে বিজেপির ৭৫ শতাংশ অর্থ এসেছিল এই নির্বাচনী বন্ড থেকে।

নির্বাচনী বন্ড স্থগিতের আর্জি খারিজ
সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হয়ে েগল নির্বাচনী বন্ডের উপর স্থগিতাদেশের আবেদন। প্রধান বিচারপতি এস এ ববদে বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট এর আগে নির্বাচনী বন্ডের বৈধতা নিয়ে কোনও অনুমোদন বা সিদ্ধান্ত জানায়নি। তাই স্থগিতাদেশের আবেদন নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানালে সেই বন্ডেকে অনুমোদনের দায় বর্তাবে শীর্ষ আদালতের উপর। যদিও মামলার শুনানি আগামী দুসপ্তাহ ধরে চলবে বলে জানা গিয়েছে। আবেদনকারীর হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।

নির্বাচনী বন্ডের আয়ে শীর্ষে বিজেপি
সামনেই দিল্লির বিধানসভা ভোট। বিপুল অর্থের প্রয়োজন সব রাজনৈতিক দলেরই। এই মুহুর্তে অর্থের নিরিখে সবচেয়ে ধনী রাজনৈতিক দল বিজেপি। সেই বিজেপির আয়ের মূল উৎস্য কিন্তু এই নির্বাচনী বন্ড। সম্প্রতি তিনটি রাজনৈতিক দল তাদের আয় এবং আয়ের উৎস্যের কথা প্রকাশ্যে এনেছে। তাতে দেখা গিয়েছে বিজেপির আয়ের ৭৫ শতাংশ এসেছে নির্বাচনী বন্ড থেকে। সবচেয়ে পুরনো দল কংগ্রেসও সেদিক থেকে অনেক পিছনে।

নির্বাচনী বন্ডের সূচনা করে বিজেপি
নির্বাচনী বন্ডের সূচনা করেছে বিজেপি সরকার। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোেটর আগে তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এই নির্বাচনী বন্ড চালু করেন। স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ায় এই বন্ড বিক্রি হয়। যেকোনও ব্যক্তি ব্যাঙ্কে গিয়ে যেকোনও পরিমান অর্থের বন্ড নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নামে কিনতে পারে। এই নিয়ে প্রবল সমালোচনা শুরু হয়েছিল ভোটের আগে। সূত্রের খবর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তৎকালীন গভর্নর উর্জিত প্যাটেলও নাকি এই নিয়ে মোদী সরকারের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications