রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, নলিনী-আর রবিচন্দ্রন সহ ৬ জন মুক্তি

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, নলিনী-আর রবিচন্দ্রন সহ ৬ জন মুক্তি

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডে নলিনী, আর রবিচন্দ্রন সহ ৬ দোষীকে মুক্তির নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টে। মুক্তির দাবিতে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নলিনী এবং আর পি রবিচন্দ্রন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডে বড় নির্দেশ

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডে বড় নির্দেশ

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডে বড় নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নলিনী, আরপি রবিচন্দ্রণ সহ ৬ দোষীকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই ৬ দোষী হল নলিনী শ্রীহরণ, মুরুগান, সন্থান, জয় কুমারস রবার্ট পেয়াস, আরপি রবিচন্দ্রণ। তামিলনাড়ু সংশোধনাগারে তাঁরা বন্দি ছিলেন। তাঁদের মুক্তির নির্দেশকে ঐতিহাসিক বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা তাঁরা কেটে ফেলেছেন জেলে। মোট সাতজন দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এই ঘটনায়। তার মধ্যে একজনকে আগেই মুক্তি দিয়েছে আদালত। এজি পেরারিেভলান আগেই মুক্তি পেয়েছেন।

কী বললেন নলিনী

কী বললেন নলিনী

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ শোনার পরেই নলিনী শ্রীহরণ বলেছেন, 'আমি জানতাম মুক্তি পাব। আমি সন্ত্রাসবাদী নই। গত ৩২ বছর ধরে জেলে কঠিন জীবন যাপন করতে হয়েছে। অনেক লড়াই চালিয়েছি। এই কঠিন পরিস্থিতিতেও যাঁরা আমার সঙ্গে ছিলেন তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। তামিলনাড়ুর সব মানুষকে ধন্যবাদ যাঁরা আমার উপর বিশ্বাস রেখেছেন। সেই সব আইনজীবীদের ধন্যবাদ যাঁরা আমার হয়ে লড়াই চালিয়েছেন।' রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় দোষী সাব্যস্ত নলিনী সহ সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ড

রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ড

১৯৯১ সালে তামিলনাড়ুর শ্রী পেরাম্ুরুতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে মারা যান ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। শ্রীলঙ্কার জঙ্গি গোষ্ঠী এলটিটিই-র সদস্য তেনমোজি রজর্থানম নামে এক মহিলা রাজীব গান্ধীকে প্রণাম করার সময় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটান। ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল রাজীব গান্ধীর শরীর। চেনা কঠিন হয়ে গিয়েছিল তাঁকে। সেই ঘটনার পরেই নলিনী শ্রীহরণ সহ সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৯৮ সালে মোট ২৬ জনকে এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে টাকা কোর্ট। তার মধ্যে নলিনী শ্রীহরণ, মুরুগান, পেরারি ভেলান ছিলেন। তাঁদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। তার মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল। যদিও ১৯২৪ সালে সেই পাঁসির সাজা মকুব করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

মুক্তির আর্জি জয়ললিতার

মুক্তির আর্জি জয়ললিতার

জয়ললিতা মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই রাজীব গান্ধীর হত্যাকারিদের মুক্তির জন্য তৎপর হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ইডাপডি পালানিস্বামীও রাজীব গান্ধীর হত্যাকারীদের মুক্তির আর্জি জানিয়েছিলেন। তামিলনাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনও রাষ্ট্রপতির কাছে এই নিেয় অনুরোধ করেছিলেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই গত ৮ মে পেরারিভেলানকে মুক্তি দেয় শীর্ষ আদালত। বাকিদের মুক্তি নিয়ে তখনও আবেদন নিবেদন চলছিল। শেষে শুক্রবার তাঁদেরও মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+