Supreme Court: কর্মক্ষেত্রে মহিলা সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে আপত্তি, ২ সপ্তাহ সময় দিয়ে কী নির্দেশ CJI-র
কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের কাজের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হল রাজ্য সরকারকে। আরজি কর কাণ্ডের পরেই রাজ্য সরকার মহিলা সুরক্ষায় নির্দিষ্ট ডিউটি টাইম বেঁধে দিয়েছিলেন।
মহিলাদের নাইট ডিউটি দেওয়া হবে না বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। মহিলাদের সুরক্ষায় রাত্রিসাথী অ্যাপ চালু করা হয়েছিল। রাতের ডিউটিতে মহিলাদের কাজের সময় বেঁধে দেওয়া নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল বারবার এই বিজ্ঞপ্তিতে সাময়িক বলে দাবি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর সেই যুক্তিতে কার্যত চিঁড়ে ভেজেনি।

প্রধানবিচারপতি সরাসরি সওয়াল করেছেন, সেনাবাহিনী এবং পুলিশে মহিলারাতো রাতেও ডিউটটি করেন। অভাবে কখনও কাজের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। মহিলারা সমানাধিকার চায়। কর্মক্ষেত্রে তাঁদের নিরপত্তা সুনিশ্চিত করাই আগে জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। তাদের রাতের ডিউটি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত একেবারেই ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানবিচারপতি।
রাজ্য সরকারের এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে সরাসরি ভরা আদালতে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানবিচাপতি। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে এই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করতে হবে। কারণ সেনাবাহিনী-বিমান পরিষেবায় মহিলারা রাতেও কাজ করেন। তাই এই বিজ্ঞপ্তি কেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। এবং অবিলম্বে এই বিজ্ঞপ্তি সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক নিয়েও কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেছেন. সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তে কি সন্তুষ্ট জুনিয়র ডাক্তাররা। মহিলা চিকিৎসকরা কি কর্মক্ষেত্রে নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি। সিসিটিভি থেকে শৌচাগার, রেস্টরুম নিয়ে দাবি আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এবং মুখ্যমন্ত্রী যে পরিকাঠামো দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেগুলি যেন ২ সপ্তাহের মধ্যে নিশ্চিত করা হয়। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানবিচারপতি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে কতদিন সময় লাগবে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাতে কপিল সিব্বল জানিয়েছিলেন যে আরও ১৪ দিন সময় লাগবে সেই নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে। সেই সময় রাজ্য সরকারদে দিতে নারাজ সুপ্রিম কোর্টে। তার জন্য ২ সপ্তাহ সময় বেধে দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী নয় পুলিশ দিয়ে সুরাক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
জুনিয়র চিকিৎসকদের আইনজীবী দাবি করেছেন, বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে চাইছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতে ভরসা নেই জুনিয়র ডাক্তারদের। প্রধানবিচারপতিও এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, "এই ধর্ষণ-কাণ্ডের নেপথ্যে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছেন। আবার যদি বাইরে থেকে নিরাপত্তারক্ষী আনা হয়, তারা সারা হাসপাতালে ঘুরে বেড়াবে। মহিলা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা কি নিরাপদ বোধ করবেন?"












Click it and Unblock the Notifications