Supreme Court on Primary Recruitment: প্রাথমিকে অগ্রাধিকার নয় বিএড প্রশিক্ষিতদের! বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
Supreme Court on Primary Recruitment:: প্রাথমিক শিক্ষক ( Primary Teacher) নিয়োগ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। ডিএড বা ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তেরাই নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন। বিএড ডিগ্রিধারীরা এই সুযোগ পাবেন না। এমনটাই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। আজ শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চে।
দীর্ঘ শুনানি শেষে সর্বোচ্চ আদালত এহেন নির্দেশ শোনায়। শুধু তাই নয়, এই নীতি গোটা দেশ জুড়ে কার্যকর হবে বলেও নির্দেশে জানিয়েছে বেঞ্চ। আর এই নির্দেশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এই নির্দেশে চাকরি প্রার্থীদের ( Teacher) বড় অংশ ধাক্কা খাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, শিক্ষক নিয়োগে অনেক প্রতিযোগিতাও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলিতে বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা শিক্ষাকতা করার সুযোগ পান। অন্যদিকে ডিএলএড কিংবা ডিএড ডিগ্রি রয়েছে যাদের তাদের প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনার সুযোগ থাকে।
কিন্তু বিএড প্রশিক্ষিতরাও প্রাথমিকে চাকরির জন্যে আবেদন জানাতে পারবে। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশের পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল।
শুধুমাত্র বাংলাতেই নয়, দেশের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নিয়ে একটা ক্ষোভ ছিল প্রশিক্ষিতদের মধ্যে। বিশেষ করে বিএড চাকরি প্রার্থীদের কেন প্রাথমিক নিয়োগে সুযোগ দেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বহু চাকরি প্রার্থীই।
যদিও এই বিষয়ে রাজস্থানের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই। রাজস্থান আদালত জানায়, শুধু প্রাথমিকে নিয়োগ করা হবে ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদেরই। আর এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এনসিটিই।
আজ শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হল বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চে। দীর্ঘ শুনানি শেষে এনসিটিই'য়ের আবেদন খারিজ করে দেয়। শুধু তাই নয়, স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে ডিএড বা ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তেরাই নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন। বিএড ডিগ্রিধারীরা নয়।
আর এহেন নির্দেশ সামনে আসতেই কার্যত খুশি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তবে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশে বহু আন্দোলনকারী চাকরি প্রার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। যদিও এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ফের আদালতের দ্বারস্থ চাকরি প্রার্থীরা হবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।












Click it and Unblock the Notifications