জানেন কি কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঠিক আগেই লখিমপুর ইস্যুতে কড়া আক্রমণ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট! রইল সেই তথ্য
গতকাল অপ্রত্যাশিতভাবে কৃষক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কৃষক আন্দোলনের জল গড়িয়েছে অনেক। সম্প্রতি লখিমপুর খেরির ঘটনাও সেই কৃষক আন্দোলনের রেশ ধরেই। যে ঘট
গতকাল অপ্রত্যাশিতভাবে কৃষক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কৃষক আন্দোলনের জল গড়িয়েছে অনেক। সম্প্রতি লখিমপুর খেরির ঘটনাও সেই কৃষক আন্দোলনের রেশ ধরেই। যে ঘটনায় কৃষকদের মৃত্যুতে অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছেলের বিরুদ্ধে।

আর সেই মামলায় কয়েক দিন আগেই কড়া বার্তা দিয়েছে সুপ্রিমো কোর্ট। শুধু তাই নয় লখিমপুর কাণ্ডে নজরদারির জন্য প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়োগও করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
গত ১৭ নভেম্বর, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রমণ এই মামলায় বলেন, লখিমপুরে চার কৃষক সহ মোট আটজনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চালাতে গোটা তদন্তের উপর নজরদারি করবেন প্রাক্তন বিচারপতি রাকেশ জৈন। প্রাক্তন ওই বিচারপতির নজরদারিতেই এই মামলার তদন্ত হবে বলে জানান তিনি।
সুপ্রিম কোর্টও ১৭ তারিখে উল্লেখ করেছে গাড়ি চাপা দেওয়া হয়েছে। পিছন থেকে গাড়ি ধেয়ে এসেছিল বলেও উল্লেখ করেছেন বিচারপতি। মৃত্যুর ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। 'দিল্লির পাঁচ তারা বা সাত তারা হোটেলে বসে আছে', বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে আদালতের তরফে।
উত্তর প্রদেশ সরকারকে আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যাতে ভালোভাবে তদন্ত করার জন্য বিশেষ তদন্তকারী দলে যেন আরও সদস্য়এবং দক্ষ আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়। পরে রাজ্য সরকারের তরফে চার্জশিট জমা দেওয়া হয় আদালতে। শীর্ষ আদালতের তরফে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিকে নজরদারি করার জন্য নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত অক্টোবরের শুরু দিকে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় কুমার মিশ্র ও উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্য্য। মন্ত্রীদের আসার পথে ওই জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন কৃষকরা। আচমকাই ওই কনভয় থেকে একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি কৃষকদের ধাক্কা মারে।
ঘটনায় ৪ কৃষক সহ মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনাচক্রে ওই শুনানির দু দিনের মধ্যেই তিন আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কৃষকদের মাঠে ফেরার বার্তা দিয়েছেন তিনি। যদিও সরকারি সূত্রে দাবি, এই সিদ্ধান্তের পিছনে অন্যতম কারণ হল দেশের নিরাপত্তা।
আন্দোলনকারী কৃষক থেকে শুরু করে বিরোধী দলগুলিও মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। কৃষকদের পরিশ্রম, দুর্দশা অনেক কাছ থেকে দেখেছেন বলেই তাঁদের কষ্ট দেখতে পারেন, এমনটাই জানিয়েছেন মোদী। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে কৃষকদের কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।












Click it and Unblock the Notifications