সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি কাশ্মীরের ৩৫ এ ধারা নিয়ে, চাপা উত্তেজনা উপত্যকায়
সংবিধানের ৩৫এ ধারা কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বিশেষ ক্ষমতা ও সুবিধা দিয়েছে। কাশ্মীর সরকার ও রাষ্ট্রপতির নির্দেশ মেনে ১৯৫৪ সাল থেকে এটি লাগু হয়ে আসছে।
সংবিধানের ৩৫এ ধারা কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বিশেষ ক্ষমতা ও সুবিধা দিয়েছে। কাশ্মীর সরকার ও রাষ্ট্রপতির নির্দেশ মেনে ১৯৫৪ সাল থেকে এটি লাগু হয়ে আসছে।

এই ধারা কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে। ফলে বাইরের প্রদেশের বাসিন্দারা এখানে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারেন না। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীর সরকার অন্য প্রদেশের নাগরিকদেরও এখানে চাকরিতে রাখতে পারে না। ১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে ৩৫এ ধারাকে ৩৭০ নম্বর ধারার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
১৯৫৪ সালে তৎকালী রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্রপ্রসাদের নির্দেশে ৩৫এ ধারাটি সংযুক্ত হয়। এই মোতাবেক, ১৯৫৪ সাল বা তার আগে থেকে যাঁদের ওই রাজ্যে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে, যাঁরা থেকেছেন, তাঁরাই উপত্যকার স্থায়ী নাগরিক। অন্য রাজ্যের বাসিন্দারা সম্পত্তি কিনতে বা নাগরিক হতে পারেন না। কাশ্মীরের মেয়েরা অন্য রাজ্যে বিয়ে করলে তাঁদের সম্পত্তির কোনও অধিকার থাকে না বলে ঠিক হয়েছিল।
এই ধারার বিরুদ্ধেই আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। দাবি করা হয়েছে যাতে ৩৫এ ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়। কারণ ১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী হয়নি। এটা অস্থায়ী নির্দেশ ছিল। আর তা সংসদে পেশ বা পাশ না করিয়ে তৎক্ষণাৎ বলবৎ করা হয়েছিল। সেটাই তুলে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।
বর্তমানে কাশ্মীরের পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে রয়েছে। উপত্যকায় উত্তেজনা যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। তার ওপরে পুলওয়ামা হামলার পরে কাশ্মীরে জঙ্গি দমনে নেমেছে সেনা। এই অবস্থায় রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক সকলকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications