আদানিদের ক্লিন চিট সুপ্রিম কোর্টের এক্সপার্ট কমিটির, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ
আদানি গোষ্ঠীকে ক্লিন চিট দিল সুপ্রিম কোর্টের এক্সপার্ট কমিটি। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে আদানিদের বিরুদ্ধে আর্থিক কারচুপির অভিযোগ করা হয়েছিল। তার সত্যতা যাচাইয়ে সুপ্রিম কোর্টের এক্সপার্ট কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই এক্সপার্ট কমিটি এক প্রকাল ক্লিনচিট দিয়েছে আদানিদের।
সুপ্রিম কোর্টের এক্সপার্ট কমিটি জানিয়ে দিয়েছে আদানিদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছিল বেআইনি ভাবে শেয়ার বাজাের নিজেদের শেয়ারের দাম বাড়িয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘনিষ্ঠ আদানি গোষ্ঠী। তাঁদের এই কীর্তি ফাঁস হওয়ার পর রীিত মতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে।

জাতীয় রাজনীতিতে যাকে বলে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। মার্কিন পত্রিকা হিন্ডেনবার্গের দেওয়া তথ্য কতটা সত্যি তা যাচাই করতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাতে সত্যিই আদানি গ্রুপ নিজেদের শেয়ারের দাম বাড়াতে অনৈতিক পথ নিয়েছিল কিনা সেটা যাচাই করাই ছিল মূল লক্ষ্য।
তদন্তে আদানি গ্রুপের কাছ থেকে লেনদেরে যাবতীয় তথ্য যাচাই করেছে কমিটি। সেবির পক্ষ থেকে দেওয়া রিপোর্টও খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাতেও কোনও গলদ ধরা পড়েনি। কোনও রকম আইন ভাঙা হয়নি। হিন্ডেনবার্গ পত্রিকার পক্ষ থেকে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল তাতে দুর্নীতির কোনও প্রমাণ মেলেনি। সেবি মামলাটি ইডির হাতে তুলে দিয়েছে। সেবির পক্ষ থেকে কোনও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হয়নি।

আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম স্টক মার্কেটে স্থিতিশীল ছিল সেসময় অন্যান্য কোম্বানির শেয়ারের দামে তেমন কোনও পতন দেখা যায়নি।। উল্টে আদানিরা স্টক মার্কেটে নিজেদের শেয়ারের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার চেষ্টা করেছে। কাজেই হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে আদানিদের বিরুদ্ধে শেয়ার বাজারে যে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে সেটা খুব একটা ধোপে টিকল না। এক প্রকার সুপ্রিম কোর্টের এক্সপার্ক কমিটির রিপোর্টে পর ক্লিনচিটই পেয়ে গিয়েছে আদানিরা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘনিষ্ঠ আদানি গোষ্ঠী। মোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় থেকেই আদানিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর আদানিদের সম্পত্তি কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে বিরোধীরা। আদানিরা কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের বরাত পেয়েছে। মোদীর সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণেই এই বরাত তাদের দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
এই ইস্যুতে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সংসদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জবাব তলব করেছিলেন বিরোধীরা। নির্ধারিত সময়ে সেকারণে শেষ করা যায়নি বাজেট অধিবেশন। তুমুল আলোড়ন শুরু হয়েছিল গোটা দেশে। অমিত শাহ দাবি করেছিলেন যে কোনও ভাবেই আদানিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জড়িত নন। বিরোধীরা অকারণে শোরগোল করছে।












Click it and Unblock the Notifications