রেশন কার্ড দিতে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! স্বস্তি মিলবে পরিযায়ী শ্রমিকদের
পরিযায়ী শ্রমিকদের রেশন কার্ড দিতে আরও তিন মাস সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সমস্ত কেন্দ্র এবং রাজ্যকে চূড়ান্ত এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি পোর্টাল ই-শ্রম পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনে থাকা শ্রমিকদের এই কার্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, ই-শ্রম পোর্টালে ২৮.৬ কোটি শ্রমিকের নাম রেজিস্টার রয়েছে। যার মধ্যে রেশন কার্ডের জন্যে রেজিস্টার রয়েছে ২০.৬৩ কোটি নাম। বাকি ৮ কোটি পরিযায়ী শ্রমিকের নাম তোলার কথা বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্রীয় শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রকের পোর্টালে রেজিস্টার পরিযায়ী শ্রমিকদের রেশন কার্ড দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার করা উচিত। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন (NFSA) এর অধীনে যাতে এই সমস্ত্র শ্রমিকরাও সুবিধা পায় সে বিষয়টি খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, National Food Security Act-এর আওতায় কোটার বাইরে রেশন দেওয়ার আবেদন জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টে। সমাজকর্মী অঞ্জলি ভরদ্বাজ, হর্ষ মন্দার, জগদীপ চোকার এই সংক্রান্ত আবেদন জানান সুপ্রিম কোর্টে। বিচারপতি এমআর শাহের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
দীর্ঘ শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন। পরিযায়ী শ্রমিক এবং অসংগঠিত শ্রমিক এবং তাদের পরিবারকে রেশন কার্ড না দেওয়াটা স্কিম থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও মনে করে সুপ্রিম কোর্ট। এমনকি এনএফএসএ আওতায় সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।
এর আগে সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছিল। আদালত জানায়, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের উচিৎ কল্যাণকারী যোজনার লাভ পাওয়া। এমনকি যোজনার সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সরকারের কর্তব্য। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি কেবলমাত্র NFSA-এর অধীনে জনসংখ্যা অনুপাত সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি এই ভিত্তিতে শ্রমিকদের রেশন কার্ড অস্বীকার করতে পারে না বলেও পর্যবেক্ষণ আদালতের।
তবে সরকার যে তাঁর দায়িত্ব পালন করছে না সে বিষয়টি অবশ্য আদালত বলছে না বলেই এদিন পর্যবেক্ষণ আদালতের। যদিও কিছু লোক বাদ পড়ে গেলে এই বিষয়টি সরকারের দেখা উচিৎ। এবং রেশন কার্ড দেওয়া উচিৎ বলেও পর্যবেক্ষণে জানায় সুপ্রিম কোর্ট।
বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি আসানুদ্দিনের বেঞ্চে চলছে। দীর্ঘ শুনানি শেষে রেশন কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্র এবং রাজ্যকে তিনমাস বেঁধে দিয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, ২৪ রাজ্য এবং শ্রমমন্ত্রকের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান চলছে। প্রায় ২০ কোটি মানুষ জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনের সুবিধাভোগী। বলে রাখা প্রয়োজন, জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ একটি প্রচেষ্টা।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications