কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা বিজেপির! ফোর্স পাঠানো শুরু রাজ্য পুলিশের
হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা বিজেপির। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরভোট করানোর জন্য বিজেপি-র আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর পক্ষেই দেশের শীর্ষ আদালত। আর এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরেই
হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা বিজেপির। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরভোট করানোর জন্য বিজেপি-র আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর পক্ষেই দেশের শীর্ষ আদালত। আর এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরেই ভোটে নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তুতি জোর কদমে শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

আগামী রবিবার রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন রয়েছে। প্রত্যেক পুরসভা এলাকাতে ইতিমধ্যে পুলিশ-প্রশাসনের তরফে এরিয়া ডোমিনেশনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। আজ শুক্রবার থেকে ফোর্স পাঠানোর কাজও শুরু করে দিয়েছে রাজ্য পুলিশ।
বলে রাখা প্রয়োজন এর আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে কিনা তা নির্বাচন কমিশনের উপরেই ছেড়ে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল বিজেপি।
আর সেই মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। প্রয়োজন মনে করলে অবশ্যই বাহিনী মোতায়েন তাঁরা করতেই পারে। তবে এই বিষয়ে আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, যদি ভোটে কোনও ভাবে উত্তেজনা কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে তার দায় কমিশনের উপর বর্তাবে। হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি।
রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং যেভাবে প্রার্থীদের ভয় দেখানো, প্রচার করতে না দেওয়া তা নিয়ে বিস্তারিত অভিযোগ জানানো হয়। প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা, বিচারপতি এএস বোপানা ও বিচারপতি হিমা কোহলীর বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানে এই সংক্রান্ত বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিজেপির আইনজীবী।
শির্ষ আদালতে বিস্তারিত জানানো হয়। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিষয়টিও জানানো হয়। যদিও শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়ের বিষয়টি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আর বিজেপির আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যা অবশ্যই বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা হিসাবেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি একটি বৈঠক করেছেন।
যেখানে রাজ্য পুলিশের ডিজি, স্বরাষ্ট্রসচিব সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে।
তবে এরপরেও নিরপেক্ষ ভোট হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ বিজেপির।












Click it and Unblock the Notifications