বিদ্বেষমূলক মন্তব্য নিয়ে কোন পদক্ষেপ করা হয়েছে, কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট
বিদ্বেষমূলক মন্তব্য নিয়ে কোন পদক্ষেপ করা হয়েছে, কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট
বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য নিয়ে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। কেন্দ্র এবং রাজ্যের কাছে তার ব্যাখ্যা তলব করল শীর্ষ আদালত। মামলাকারী অভিযোগ করেছেন অশালীন আর বিদ্বেষ মূলক মন্তব্যকে মিশিয়ে ফেলা হচ্ছে। বিচারপতি এ.এম খানউইলকারের বেঞ্চ জািনয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্র এবং রাজ্য গুিলকে এই নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে। রাজ্যগুলিকে জানাতে হবে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য িনয়ে তাঁরা কোন পদক্ষেপ করেছে।

জামিয়াত-উলেমা-এ-হিন্দের সভাপতি মৌলনা মহম্মদ আসাদ মাদানির দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতেই এই িনর্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। মহম্মদকে িনয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে এই মামলাদায়ের করেছিলেন তিনি। প্রায় ৬ সপ্তাহ পর মামলার শুনানি হল শীর্ষ আদালতে। সেই মামলার শুনানিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মার মহম্মদকে িনয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গোটা দেশে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। একাধিক জায়গায় এই িনয়ে তীব্র বিক্ষোভ হয়েছে। রাজস্থানে দর্জিকে খুন করা হয়েছে নুপুর শর্মার মন্তব্যকে সমর্থন করার জন্য। দেশের একাদিক রাজ্যে অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে।
এর আগে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য গুলিকে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করতে। এবং বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানি দিয়ে যাঁরা অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার কথা বলেছিল আদালত। তার জন্য একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করার নির্দেশও দিয়েছিল তারা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল শীর্ষ আদালতও। গোটা দেশের কাছে বিজেপি নেত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করে শীর্ষ আদালত। এই নিয়ে আবার বিজেপি নেতারা সরব হয়েছিলেন। আদালত এক্তিয়ার বহির্ভুত কথা বলছেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁরা। নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে দায়ের করা একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে গোটা দেশে। যদিও সুপ্রিম কোর্টের কাছে রক্ষা কবচ পেয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications