অগ্নিপথ নিয়ে পিটিশন, আগামী সপ্তাহে শুনানি সুপ্রিম কোর্টে
সেনা নিয়োগের অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে প্রচুর প্রতিবাদ হয়েছিল। এই পরিকল্পনা প্রত্যাহারের দাবিতে অনেক জায়গায় সহিংস বিক্ষোভ, অগ্নিসংযোগ হয়েছে। অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহার করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল, যার উপর আদালত শুনানি করতে রাজি হয়েছে।

শুনানি হবে আগামী সপ্তাহে
সুপ্রিম কোর্ট আবেদনটি শুনতে রাজি হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে শুনানি করবে। সেই কথাই জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

কী বলছে সেনা ?
যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে তারা এই নিয়োগ প্রকল্পটি প্রত্যাহার করবে না। অগ্নিপথ নিয়োগ প্রকল্পও শুরু হয়েছে এবং বিমান বাহিনীতে নিয়োগের জন্য ৫০ হাজার আবেদন গৃহীত হয়েছে।

কী বলা হয়েছে আবেদনে ?
অগ্নিপথ নিয়োগ প্রকল্পের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা পিটিশনে বলা হয়েছে যে এই প্রকল্পটি বেআইনি এবং অসাংবিধানিক। এই আবেদনটি অ্যাডভোকেট মনোহর লাল শর্মা দায়ের করেছেন এবং কেন্দ্রের এই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেছেন। পিআইএলে বলা হয়েছে যে বিচারের পক্ষে ১৪ জুন, ২০২২-এ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করা উচিত কারণ এটি অবৈধ এবং অসাংবিধানিক। আবেদনে আরও আবেদন করা হয়েছে যে অগ্নিপথ প্রকল্পটি পরীক্ষা করে দেশের নিরাপত্তা এবং দেশের সেনাবাহিনীর উপর প্রভাব মূল্যায়নের জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রাক্তন বিচারপতির সভাপতিত্বে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হোক।

কোনদিকে নজর থাকবে ?
যাইহোক, এই পিটিশনের শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট অগ্নিপথ নিয়োগ প্রকল্পে অবিলম্বে স্থগিতাদেশ দেয় কিনা তা দেখার বিষয়। যদি এই নিয়োগ প্রকল্প নিষিদ্ধ করা হয়, তবে এটি কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসাবে বিবেচিত হবে। এর আগে, কৃষকদের প্রবল বিরোধিতার কারণে কেন্দ্রীয় সরকারও কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে ভারত বন্ধের ডাক দিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। সেই ভারত বন্ধের কথা মাথায় রেখেই অস্থায়ীভাবে ২০টি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করেছে বিহার সরকার। এর আগে ১৭ জুন থেকে বিহারের ১২টি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবায় স্থগিতাদেশ ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে এবং রাজ্য সরকার আরও আটটি জেলায় ইন্টার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক প্রতিরক্ষা আধিকারিকের কথায়, ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা ইতিবাচক ফল দিয়েছে এবং বিহারে সহিংসতা ঘটনা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications