রাজ্যের ডিএ মামলা শুনতে রাজি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, কবে হবে শুনানি
বকেয়া ডিএ মামলা এবার উঠতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্যের ডিএ মামলা শুনতে রাজি হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্র্াচূড়। উল্লেখ্য, মহার্ঘভাতা নিয়ে রাজ্য সরকার যে পিটিশন দাখিল করেছে, তা শুনবেন প্রধান বিচারপতি।
বকেয়া ডিএ মামলা এবার উঠতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্যের ডিএ মামলা শুনতে রাজি হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্র্াচূড়। উল্লেখ্য, মহার্ঘভাতা নিয়ে রাজ্য সরকার যে পিটিশন দাখিল করেছে, তা শুনবেন প্রধান বিচারপতি। আগামী সোমবার এই ডিএ মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

আগামী সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে। মহার্ঘভাতা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তা তালিকাভুক্ত করা যায়নি। এতদিনে তা তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।
রাজ্যের আইনজীবী হুজেফা আহমেদি বলেন, কলকাতা হাইকোর্টে সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্যভাতা বা ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। তা রাজ্য সরকারের মৌলিক অধিকার, রাজ্যের দয়ার দান নয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। কিন্তু এই বকেয়া ডিএ মেটাতে গেলে অর্থকোষে বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আশঙ্কা করেছিলেন রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল আগেই। কলকাতা হাইকোর্টে ডিএ সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলায় আজ রাজ্য সরকার যুক্তি দেখাল যে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। যদিও হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শীর্ষ আদালতে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে।
রাজ্যের দাবির প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ না থাকলে সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানি চালিয়ে যেতে পারে হাইকোর্ট। বিচারপতিরা স্পষ্ট বার্তা দেন, সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়েছে, সেই যুক্তি দেখিয়ে অনন্তকাল হাইকোর্টে মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া যাবে না। সুপ্রিম পিটিশন দাখিল সম্পূর্ণ করার কথা বলেন অবিলম্বে। এ জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় সীমা দেওয়া হয়।
রাজ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার আবেদন করেছে। ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছিল। এদিন তা তালিকাভুক্ত হল। ২৮ নভেম্বর এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাসে। ২০ মে হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ডিএ না দেওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল। তিনটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠন মামলা দায়ের করে রাজ্যের বিরুদ্ধে। সেই মামলার কলকাতা হাইকোর্টে ৪ নভেম্বর হলফনামা জমা দেন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিব। ১৯ অগাস্ট হাইকোর্টের দেওয়া সময়সীমা শেষ হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications