একনাথ শিন্ডেকে সুপ্রিম চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন উদ্ধব ঠাকরে, এবার লড়াই প্রধান বিচারপতির এজলাসে
প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছেন, শিন্ডে বনাম ঠাকরে মামলায় বিদ্রোহী বিধায়কদের অযোগ্য ঘোষণার বিষয়ে সাংবিধানিক বেঞ্চের শুনানির পরে মামলাটি ২২ ফেব্রুয়ারি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন একনাথ শিন্ডে শিবিরকে দলের নাম ও প্রতীক প্রদান করেছে। অর্থাৎ শিবসেনা দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে একনাথ শিবিরকেই। কিন্তু উদ্ধব শিবির ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। উদ্ধব শিবির সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিতের আবেদন নিয়ে।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে তালিকাভুক্ত হয়েছে উদ্ধব ঠাকরের করা মামলাটি। জরুরিভিত্তিতে ২২ ফেব্রুয়ারি বুধবার এই মামলাটি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এই মামলা শুনবেন। উদ্ধব ঠাকরের পক্ষে সওয়াল করবেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট কপিল সিবাল। তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনারের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দাবি করবেন।

আর এক সিনিয়র আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আদেশের পরে পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নিয়েছে। বুধবারের শুনানি এক উত্তেজক দিকে যেতে পারে বেই তাঁর ধারণা। এদিকে একনাথ শিন্ডের আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট নীরজ কিষান কাউল জানান, ইতিমধ্যে হাইকোর্টে দু'বার আবেদন করা হয়েছে, তাতে কোনও ফল হয়নি। এবারও হবে না।
প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছেন, শিন্ডে বনাম ঠাকরে মামলায় বিদ্রোহী বিধায়কদের অযোগ্য ঘোষণার বিষয়ে সাংবিধানিক বেঞ্চের শুনানির পরে মামলাটি ২২ ফেব্রুয়ারি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শিন্ডে শিবিরের বিদ্রোহের পর ঠাকরে পদত্যাগ করেন। তারপর বিজেপির সমর্থনে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করেন একনাথ শিন্ডে।
সাংবিধানিক বেঞ্চের শুনানির পর পিটিশনটি পড়ে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এই মামলাটি শুনতে চেয়েছেন। ঠাকরের পক্ষের আইনজীবীব অ্যাডভোকেট অমিত আনন্দ তিওয়ারির এদিন বলেন, নির্বাচন কমিশন অন্যায়ভাবে এবার পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে শিবসেনার নির্বাচনী প্রতীক শিন্ডে শিবিরকে প্রদান করেছে।
শিন্ডে ও বিজেপি শিবিরের দাবি, নির্বাচন কমিশনের আদেশটি ১৯৬৮ লসালের আদেশের ১৫ অনুচ্ছেদের অধীনে কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল। আর উদ্ধব ঠাকরে বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তটি ২০১৮ সালের সংবিধান এবং আন্তঃদলীয় নির্বাচনের ফলাফলের বিরোধী। সংবিধান মেনে এবং নির্বাচনী ফলাফলের ভিত্তিতে উদ্ধব ঠাকরেকে নেতা বেছে নেওয়া হয়েছিল।
পিটিশনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের আদেশ একনাথ শিন্ডেকে পার্টির সংবিধান অনুযায়ী সঠিকভাবে আন্তঃদলীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করার অনুমতি দেয়। এটি দলীয় গণতন্ত্রের নীতিবিরোধী। নির্বাচন কমিশন এই সরল সত্যটিকে উপেক্ষা করে গিয়েছে যে দলের পদমর্যাদা অনুযায়ী তিনি ছিলেন শিবসেনার সুপ্রিমো। তিনি প্রতিনিধি সভার প্রায় ২০০ সদস্যের মধ্যে ১৬০ জন সদস্যের সমর্থন পেয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications