কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার! ইডির ক্ষমতা বহাল রাখার রায় পুনর্বিবেচনায় সুপ্রিম কোর্ট

কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার! ইডির ক্ষমতা বহাল রাখার রায় পুনর্বিবেচনায় সুপ্রিম কোর্ট

আর্থিক দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ক্ষমতা বহাল রাখার রায় পুনর্বিবেচনা করতে সম্মত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুসারে রায়ের দুইটি দিক রয়েছে। একদিকে যেমন ইডির গ্রেফতারি বা তল্লাশির সময় প্রতিক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইসিআইআরের অনুলিপি দেখানো বাধ্যতামূক নয়। তেমনি অন্যদিকে, অভিযুক্তকে নির্দোষ প্রমাণের সুযোগ। এই দুইটি বিষয় সামনে রেখে ইডির ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করা মামলার যে রায় দেওয়া হয়েছিল, তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে।

ইডির ক্ষমতার বিরোধিতা করে চ্যালেঞ্জ

ইডির ক্ষমতার বিরোধিতা করে চ্যালেঞ্জ

ইডির ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিরোধীদের একাংশ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ইডির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জকারীরা সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই ইডি গ্রেফতারের সময় ইসিআইআরের অনুলিপি অভিযুক্ত বা অভিযুক্তের আইনজীবীকে দেখাচ্ছেন না বলে চ্যালেঞ্জকারী অভিযোগ করেছিলেন। ইসিআইআরের অনুলিপি হল এনফোর্সমেন্ট কেস ইনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট। ইডির ইসিআইআর হল পুলিশের এফআইআরের সমতুল্য। চ্যালেঞ্জকারীরা এছাড়াও অভিযোগ করেছিলেন, ইডি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ করছে। পাশাপাশি বিরোধীরা অভিযোগ করে, ইডির ক্ষমতার অপব্যবহার করছে কেন্দ্র। অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে কেন্দ্র ইডির ব্যবহার করছে।

ইডির ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই শতাধিক পিটিশন

ইডির ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই শতাধিক পিটিশন

ইডির ক্ষমতার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টে ২৪০টির বেশি পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। ইডির ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল দেশমুখ, কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদাম্বরম রয়েছেন। এছাড়ও আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দেশের বিশিষ্ট জনেরা রয়েছেন। ২৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি এএম খানইউলকরের বেঞ্চ ইডিও ক্ষমতার পক্ষেই রায় দিয়েছিলেন।

আর্থিক দুর্নীতি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে

আর্থিক দুর্নীতি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে

গত ২৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিচারপতি এএম খানইউলকরের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ ৫৪৫ পৃষ্ঠার রায়ের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল, এই আইন অত্যন্ত কার্যকরী। আর্থিক দুর্নীতি ও অর্থ পাচার দেশের ব্যাধিতে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে দেশের সামাজিক জীবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আর্থিক দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতেই ইডিকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ইডি যার জেরে স্বাধীনভাবে তলব করতে পারে। গ্রেফতার করতে পারে। প্রসঙ্গত, ইডি গ্রেফতারের আগে অভিযুক্তকে কারণ বলতে বাধ্য পর্যন্ত নয়। ইডি একবার গ্রেফতার করলে জামিন প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। ইডির ক্ষমতার বিরোধিতা করেই বিরোধীরা সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়েছিল। আর্থিক তছরুপ মামলা (পিএমএলএ) এনফোসর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতার, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও তল্লাশি চালাতে পারবে। একটি রায়ে ইডিকে ছাড়পত্র দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পিএমএলএ আইনে ইডির ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক মামলা হয়েছিল। তার বেশিরভাগই ২৭ জুলাই বিচারপতি এএম খানইউলকরের বেঞ্চ খারিজ করে দেয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+