শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরে স্কুলে যাওয়া ধর্মীয় অধিকারের মধ্যে পড়ে? সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি সোমবার
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরে স্কুলে যাওয়া ধর্মীয় অধিকারের মধ্যে পড়ে? সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি সোমবার
কর্ণাটকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধের আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট স্থগিত করেছে। পরবর্তী শুনানির দিন ১২ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়। হাইকোর্ট কর্ণাটকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছিল। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আবেদনকারীরা।

সোমবার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত ও সুধাংশু ধুলিয়ার একটি বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, ধর্মীয় অনুশীলনের অধিকার থাকা মানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেই অনুশীলন করা সম্ভব নাও হতে পারে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের তরফে জানানো হয়েছে, মাথায় স্কার্ফ বা হিজাব পরার অধিকার ধরে নেওয়া হলেও, স্কুল বা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগে থেকেই নির্দিষ্ট একটি পোশাক রয়েছে। সেখানে কি হিজার পরা যেতে পারে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত ও সুধাংশু ধুলিয়ার একটি বেঞ্চ হাইকোর্টের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজার পরার নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদনের শুনানি গ্রহণ করে। এর আগে ২৯ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীরা শুনানির জন্য আর একটু সময় চায়। সেই সময় সুপ্রিম কোর্ট তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল।
১৫ মার্চ কর্ণাটক হাইকোর্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখে। সেই সময় কর্ণাটক হাইকোর্টের তরফে বলা হয়, হিজাব পরা ইসলামে অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। প্রসঙ্গত, কর্ণাটকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজ্য সরকার হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর তীব্র বিরোধিতা করে রাজ্যের মুসলিম ছাত্রীরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। পরে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়। জরুরি ভিত্তি পিটিশনগুলো তালিকাভুক্ত করার আবেদন করা হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এনভি রমনা মেয়াদকালে এই আবেদনগুলো তালিকাভুক্ত করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, ২ অগাস্ট প্রবীণ আইনজীবী মীনাক্ষী আরোরা তৎকালীন সুপ্রিম কোর্টের প্রধানবিচারপতি এনভি রমনার কাছে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। পিটিশনটি তালিকাভুক্ত করার আবেদন করেছিলেন। সেই সময় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রমনা শীঘ্রই বেঞ্চ গঠন করে বিষয়টি তালিকাভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এর দুই সপ্তাহ আগে ১৩ জুলাই প্রশান্ত ভূষণ এই আবেদনটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন করেছিলেন। সেই সময় জানিয়েছিলেন, মার্চ থেকে মামলাটি তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তালিকা ভুক্ত করা হয়নি। সেই সময় প্রধান বিচারপতি দুই সপ্তাহ পরে মালমার তালিকা করতে সম্মত হয়েছিলেন। তার আগে মার্চে জরুরি ভিত্তি তালিকাভুক্ত করার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।












Click it and Unblock the Notifications