করোনা লড়াইয়ে পিপিই-মাস্ক-ভেন্টিলেটরের ঘাটতি দূর করতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের
গত বছরের ডিসেম্বরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয় চিনে। এরপর সেই সংক্রমণ গত তিন মাসে ছড়িয়ে বিশ্বের প্রায় সব প্রান্তে। এই মহামারীর থাবা থেকে বাদ পড়েনি ভারতও। ভারতবর্ষে করোনাভাইরাসের সঙ্কট তীব্রতর হচ্ছে।

ভারতে দ্রুত গতিতে বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ
যদিও ভারতে দ্রুত গতিতে বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। কেবল আক্রান্ত নয়, পাল্লা দিয়েই বেড়েছে কোভিড-১৯ মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতি অনুসারে ভারতবর্ষে করোনা আক্রান্তের সংখ্যে ৫ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৬৬ জনের এবং ৫০৯৫ জন এই মুহূর্তে সংক্রমণের আওতায়।

অন্তত ১০০ জন চিকিৎসক করোনা সংক্রামিত
দেশ জুড়ে ক্রমশই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। তাঁদের সেবায় নিরন্তর ব্যস্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠছে যে, চিকিৎসকদের ঠিকভাবে সুরক্ষাকিট দেওয়া হচ্ছে না। আর এর জেরে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করতে গিয়ে চিকিৎসকরা নিজেরাই ওই মারাত্মক ভাইরাসের শিকার হচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাস রোগীদের সংস্পর্শে আসায় দেশ জুড়ে প্রায় ১০০ জন চিকিৎসক করোনা সংক্রামিত হয়েছেন।

সুরক্ষাকিট, ভেন্টিলেটর ও মাস্কের সাপ্লাই
এবার পিপিই বা সুরক্ষাকিট, ভেন্টিলেটর ও মাস্কের সাপ্লাই সুনিশ্চিত করল কেন্দ্র। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব জানান, দেশের ২০টি সংস্থাকে ইতিমধ্যেই পিপিই তৈরির বরাত দিয়েছে কেন্দ্র। মোট ১.৭ কোটি পিপিই তৈরির অর্ডার দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া ৪৯ হাজার ভেন্টিলেটরের অর্ডার দেওয়া হয়েছে এগুলি শীঘ্রই চলে আসবে কেন্দ্রের হাতে।

সিঙ্গাপুর থেকেও আসছে পিপই
এর আগে সরকার ২০ লক্ষেরও বেশি এন ৯৫ মাস্ক হাসপাতালগুলিকে দিয়েছে। আপাতত ১৬ লক্ষ এন ৯৫ মাস্ক সরকারের কাছে রয়েছে। তারই সঙ্গে ৮০ লক্ষ পিপিই-র অর্ডার সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর ১১ এপ্রিল থেকে এই পিপিই ভারতে এসে পৌঁছতে শুরু করবে।












Click it and Unblock the Notifications