সুনন্দা পুস্কর মামলা: একনজরে টাইম লাইন
সুনন্দা পুস্কর মামলা: একনজরে টাইম লাইন
সাত বছর ধরে চলেছে মামলা। অবশেষে সুনন্দার স্বামীকে মামলা থেকে আব্যহতি দিয়েছে কোর্ট। দিল্লির একটি বিলাস বহুল হোেটলের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছিল কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর স্ত্রীর দেহ। শশী থারুর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। েসই মামলার অবসান হল ৭ বছর পর। দেখে নেওয়া যাক তার একটা ছোট্ট টাইমলাইন।

১৬ জানুয়ারি, ২০১৪: শশী থারুরকে বিয়ের পর সব ঠিকই চলছিল। ঘটাৎ করে পাকিস্তানি সাংবাদিক মেহের তারার সঙ্গে শশী থারুর সম্পর্কের গুঞ্জন শুরু হয়। টুইটারে মেহেরের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়িয়েছিলেন শশীর স্ত্রী সুনন্দা পুষ্কর
১৭ জানুয়ারি, ২০১৪: দিল্লির লীলা প্যালেসের মতো বিলাস বহুল হোটেলে উদ্ধার হয় সুনন্দা পুষ্করের দেহ। ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগেই সুনন্দা মারা গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ অনুমান করে। তারপরেই সেই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে মনে করে পুলিশ।
১৯ জানুয়ারি, ২০১৪: সুনন্দা পুষ্করের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায় তার গায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাতে রক্ত জমাট বাধা অবস্থায় ছিল। গলার কাছেও রক্ত জমে ছিল বলে জানাযায়। এমনকী সুনন্দার দেহে উত্তেজনা প্রশমন কারী ওষুধ অ্যাপ্রাজোলামও পাওয়া গিয়েছিল। তবে সুনন্দার মৃত্যু যে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনের ফলে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি।
২১ জানুয়ারি, ২০১৪: তারপরেই দিল্লিতে সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রের কাছে অভিযোগ জমা পড়ে বিষ দিয়ে সুনন্দা পুষ্করকে হত্যা করা হয়েছে।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৪: সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যুর তদন্তভার নেয় দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেই দিনই ময়নাতদন্তের আরেকটি রিপোর্টে জানা যায় শুধু উত্তেজনা প্রশমনকারী ওষুধ নয় অবসান মুক্তির ওষুধও পাওয়া গিয়েছিল সুনন্দার দেহে।
২৫ জানুয়ারি, ২০১৪: দিল্লি পুলিশ ফের তদন্তের দায়িত্ব নেয়।
২জুলাই, ২০১৪: সুনন্দা পুস্করের দেহের ময়নাতদন্তকারী এইমসের চিকিৎসক ডাক্তার সুধীর গুপ্তা অভিযোগ করেন তাঁকে মযনাতদন্তের রিপোর্ট বদল করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪: দিল্লি পুলিশকে ভিসেরা রিপোর্ট দেয় এইমস।
১ জানুয়ারি, ২০১৫: দিল্লি পুলিশ কমিশনার বিএস বেসি দাবি করেন আত্মহত্যা নয় সুনন্দা পুষ্করকে হত্যা করা হয়েছিল। তারপরেই অপরিচিত ব্যক্তির নামে ৩০২ (খুন) ধারায় এইআইআর করে দিল্লি পুলিশ।
১৫ জানুয়ারি, ২০১৫: আমেরিকার এফবিআইয়ের ল্যাপে পুস্করের ভিসেরার নমুনা পরীক্ষা জন্য পাঠানোর পরামর্শ দেয় এইমসের মেডিকেল বোর্ড। ফেব্রুয়ারিতেও সুনন্দা পুস্করের ভিসেরার নমুনা পাঠানো হয় এফবিআইয়ের কাছে।
সেখানেও জানানো হয় বিষক্রিয়াতেই মৃত্যু হয়েছে সুনন্দার।
নভেম্বর, ২০১৫:তারপরেই দিল্লি পুলিশ সাংবাদিক নলিনী সিংয়ের কাছে সাহায্য চায়। কারন নলিনীর সঙ্গেই শেষবার কথা বলেছিলেন পুষ্কর।
ফেব্রুয়ারি, ২০১৬: তারপরেই শশী থারুরকে জেরা করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং টিম।
মার্চ, ২০১৬: দিল্লি পুলিশে উচ্চ পদস্থ অফিসারদের সঙ্গে দেখা করেন থারুর এবং সুনন্দার মৃত্যুর কোনএ তথ্যই তার কাছে ছিল না বলে দাবি করেন কংগ্রেস সাংসদ।
জুলাই, ২০১৭: দিল্লি হাইকোর্টে সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের জন্য সিট গঠনের দাবি জানান বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।
২৬ অক্টোবর,২০১৭: দিল্লি হাইকোর্টে খারিজ হয়ে যায় বিজেপি নেতার আবেদন।
জানুয়ারি, ২০১৮: দিল্লি হাইকোর্টে মামলা খারিজের পর সিট গঠনের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন এফআইআর দায়ের করতে দিল্লি পুলিশ ১ বছর সময় নষ্ট করেছে।

ফেব্রুয়ারি, ২০১৮: সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর আবেদনের প্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট।
এপ্রিল, ২০১৮: তারপরেই ফরেন্সিক রিপোর্ট সহ ফাইলান রিপোর্টের খসড়া তৈরি করে দিল্লি পুলিশ।
মে, ২০১৮: চার্জশিট জমা দেয় দিল্লি পুলিশ। তারপরেই মামলা অতিরিক্ত মুখ্য নগরদায়রা ম্যাজিস্ট্রের কোর্টে স্থানান্তরিত হয়। তারপরেই আদালত শশী থারুকে সমন পাঠানোর উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
জুন,২০১৮: সুনন্দা পুষ্কর মামলায় সমন পাঠানো হয় শশী থারুরকে।
অগস্ট,২০১৯: আদালতে সুনন্দা পুস্করের মৃত্যুর ঘটনায় কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করার আবেদন জানায় দিল্লি পুলিশ।
ফেব্রুয়ারি, ২০২০: থারুরের ঘটনায় দিল্লি সরকারের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চায় দিল্লি হাইকোর্ট। থারুর আদালতে দাবি করেন তাঁর স্ত্রী যে টুইট করেছিলেন মৃত্যুর আগে সেটাই তার মানসিক অবস্থার কথা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
জুন, ২০২০: দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন শশী থারুর। দিল্লি পুলিশ যাতে তাঁর স্ত্রীর শেষ টুইট গুলি সুরক্ষার বন্দোবস্ত করে।
জুলাই ২০২১: প্রায় ১ মাসের বেশি সময় মামলার শুনানি বন্ধ রেখেছিল দিল্লি কোর্ট।
অগাস্ট, ২০২১:সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যুর মামলা থেকে শশী থারুরকে অব্যহতি দেয় আদালত।












Click it and Unblock the Notifications