রাত পোহালেই বছরের সবথেকে বড় দিনের সাক্ষী থাকতে চলেছে দেশবাসী, ক্ষণিকেই শেষ হয়ে যাবে রাত
রাত পোহালেই বছরের সবথেকে বড় দিনের সাক্ষী থাকতে চলেছে দেশবাসী, ক্ষণিকেই শেষ হয়ে যাবে রাত
কালের নিয়মে গ্রীষ্ম শেষে ইতিমধ্যেই দেশের মাটিতে পা রেখেছে বর্ষা। দেশের প্রায় প্রতিটা রাজ্যেই চলছে প্রবল বর্ষণ। এদিকে লেন্ডারের হিসেবে আগামীকাল সোমবার ২১ জুনই হচ্ছে 'সামার সলসটাইস'। সহজ কথায় উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন। বছরের এই একটি দিনেই সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে উত্তর মেরু।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভৌগলিক নিয়ম অনুসারে পৃথিবী সাধারণত দুটি ভাগে বিভক্ত। উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ। যখন যে গোলার্ধে যে অবস্থা বিরাজ করে প্রকৃতির নিয়ম অনুসারেই তখন অন্য গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। আর এই কারণেই পৃথিবীর বার্ষিক গতি চলতে থাকে। যার কারণে পৃথিবীর ঋতু পরিবর্তিত হয়। এই বার্ষিক গতির কারণে, পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ২১ জুন। একইসাথে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট রাতও ২১ জুন।
সূর্য এই সময় কর্কটক্রান্তি বৃত্তে অবস্থান করে। ক্রান্তি বৃত্তে সূর্যের এই প্রান্তিক অবস্থান বিন্দুকে বলা হয় উত্তর অয়নায়ন। দক্ষিণ গোলার্ধে এখন থাকে ঠিক এর বিপরীত অবস্থা। আর এর পর থেকেই ক্রমশ দিন ছোট হতে থাকে, আর বড় হতে থাকে রাত। পরবর্তীতে ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য আবার অবস্থান নেয় বিষুব বৃত্তের বিন্দুতে একে বলা হয় জলবিষুব বিন্দু। এই দিন পুনরায় পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান হয়ে যায়।
ল্যাটিন শব্দ solctice-এর অর্থ: sol মানে সূর্য এবং sisterer মানে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা। আগামীকালই যা দেখবে উত্তর গোলার্ধের মানুষ। দক্ষিণ গোলার্ধে এদিনই দিন সবচেয়ে ছোট এবং রাত সবচেয়ে বড়। অন্যদিকে আবার ২১ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করায় এবং উত্তর মেরু সূর্য থেকে কিছুটা দূরে হেলে থাকায় উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত্রি ও ক্ষুদ্রতম দিন হয়ে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়।












Click it and Unblock the Notifications