সুকমায় জওয়ানদের ওপর মাও হামলার আগে ঠিক কী হয়েছিল! কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য
একসপ্তাহও কাটেনি ছত্তিশগড়ের সুকমাতে মাও হামলার। যে হামলাতে শহিদ হন ৯ সিআরপিএফ জওয়ান আহত হন ৫ জন। কিন্তু এই লড়াইয়ের আগেও রয়েছে কয়েকটি ঘটনা, যার পাল্টা হিসাবে মাওবাদীরা হামলা চালায় জওয়ানদের ওপর।
একসপ্তাহও কাটেনি ছত্তিশগড়ের সুকমাতে মাও হামলার। যে হামলাতে শহিদ হন ৯ সিআরপিএফ জওয়ান, আহত হন ৫ জন। জানা গিয়েছে, এই হামলায় জঙ্গলের ভিতরে থাকা শতাধিক মাওবাদীদের সঙ্গে সেদিন এক রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সামিল হয়েছিলেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। কিন্তু এই লড়াইয়ের আগেও রয়েছে কয়েকটি ঘটনা, যার পাল্টা হিসাবে মাওবাদীরা হামলা চালায় জওয়ানদের ওপর। এমনই দাবি সূত্রের। দেখে নেওয়া যাক একনজরে, সুকমাতে মাওবাদী হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি তথ্য।

হামলার আগে যা ঘটেছিল
শোনা যাচ্ছে , সুকমাতে মাওবাদীদের হামলার আগে বেশ কিছু ঘটনাক্রম জাল বুনেছে। ১৩ মার্চ হামলার দিনের আগে, ঝাড়খণ্ডের একটা বিস্তীর্ণ এলাকার মাওবাদীদের তল্লাশি অভিযানে নামে পুলিশ। সেখানে দুপক্ষের সংঘর্ষে বহু নামী মাও নেতা নিহত হয়। সেরাজ্যের গিরিধে ৮০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। সেখানের রাস্তা নির্মাণের সময় থেকেই আইইডি পোঁতা ছিল , বলে খবর পেয়ে ছুটে যায় প্রশাসন। শেষে , সেই আইইডি উদ্ধার করা হয়।

সুকমার ঘটনা
মনে করা হত, কংক্রিটের রাস্তার ভিতর আইইডি-র মতো বিস্ফোরক কিছুতেই পুঁতে রাখা যায় না। কিন্তু , ১৩ মার্চের বিস্ফোরণের ঘটনা সেই তথ্যকে ভুল প্রমাণ করেছে। সুকামাতে বিস্ফোরণের দিন , ৫০ কেজি আইইডি উদ্ধার করা হয় , যা কংক্রিটের রাস্তার নিচে পোঁতা ছিল। আর সেই বিস্ফোরকের দ্বারা 'মাইন প্রটেক্টেড' গাড়িকেও চোখের পলকে চছনছ করে দিয়েছে মাওবাদীরা। যে ঘটনায় রীতিমত স্তম্বিত প্রশাসন।

জঙ্গলের লড়াই
সূত্রের খবর, মাওবাদীদের ডেরায় জঙ্গলের ভিতর তাদের সঙ্গে লড়াই এমনিতেই কঠিন। সেই সঙ্গে মাওবাদীরা যেভাবে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে বিস্ফোরককে হাতিয়ার করছে , তা অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গোয়ন্দে সূত্রে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডের গোটা একটা লাল-বলয় জুড়ে মাওবাদীদের তল্লাশি তথা দমন অভিযানে নামে। উদ্ধার হয় ২৭টি ইনসাস ও একে ৪৭। বেশ কিছু অস্ত্র আগে যা পুলিশের থেকে লুঠ করা হয়েছিল , তাও সেদিন উদ্ধার করে যৌথবাহিনী । উদ্ধার হয় ডিটোনের, কোডেক্স তার, আইইডি।

মাও নেত্রীদের নিকেশ
৬ ফেব্রুয়ারি ঝাড়খণ্ডের পালামৌতে রিঙ্কি ও রুবি নামের দুই কুখ্যাত মাও নেত্রীকে নিকেশ করে যৌথবাহিনী। শুধু তাই নয়, ৬ জন মাওবাদী ক্যাডারও সেই ঘটনায় নিহত হয়। মনৃতদের মধ্যে ছিলে কুখ্যাত মাও সাব জোনাল নেতা রাকেশ ভুইঞা। যার মাথার দাম ৫ লাখ টাকা ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। আর মাওবাদীদের ওপর এই হামলার পাল্টা হিসাবেই সুকমাতে সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications