কোটায় একের পর এক শিশু, উঠে এল বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর কারণ
৩৫ দিনে কোটার সরকারি হাসপাতালে প্রায় ১১২ টি শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষিপ্ত সেখানকার বাসিন্দারা। তবে এই মৃত্যু নিয়ে নানা কারণ উঠে আসছে।
৩৫ দিনে কোটার সরকারি হাসপাতালে প্রায় ১১২ টি শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষিপ্ত সেখানকার বাসিন্দারা। তবে এই মৃত্যু নিয়ে নানা কারণ উঠে আসছে। একেতে ছিল প্রবল ঠাণ্ডা, এছাড়াও নিম্নমানের চিনা চিকিৎসা সরঞ্জাম, দুর্নীতি এবং কমিশন চক্রের কথাও উঠে আসছে এই মৃত্যুর ঘটনার পিছনে।

মৃত্যুর অন্যতম কারণ, খারাপ চিনা চিকিৎসা সরঞ্জাম
মঙ্গলবার রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রঘু শর্মা জানিয়েছেন, খুব খারাপ ধরনের চিনা চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছিল কোটার জেকে লন হাসপাতালে। সরকারের তরফ থেকে চিনা সরঞ্জাম কেনার ব্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী জয়পুরে স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। একইসঙ্গে জানান, অতিরিক্ত মুখ্যসচিব রোহিত কুমার সিং-এর নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাইপোথার্মিয়াও মৃত্যুর কারণ
এর আগে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের গঠিত কমিটি জানিয়েছিল জেকে লন হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ হাইপোথার্মিয়া। এছাড়াও দুর্নীতি এবং কমিশন চক্রের কথাও বলেছিলেন হাসপাতালের কর্মীরা।
এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাসের পর মাস ধরে হাসপাতালে খারাপ হয়ে থাকা যন্ত্র ঠিক করতে বাইরে থেকে কোনও প্রযুক্তিবিদ কিংবা কোনও সংস্থাকেও ডাকা হয়নি।
হাসপাতাল সুপার সুরেশ দুলারাকে প্রশ্ন করা হয় যদি কমিশন প্রথাই থাকবে, তাহলে হাসপাতালের যন্ত্র খারাপ কেন। তিনি সেই সময় বলেন, কমিশন খারাপ শব্দ হতে পারে, কিন্তু হাসপাতালে ব্যাপক অনিয়ম চলছিল।

যোধপুর, বিকানের, আজমেড় থেকেও শিশু মৃত্যুর খবর
কোটার হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর খবর নিয়ে তোলপাড় শুরু হতেই, যোধপুর, বিকানেড় এবং আজমেড়ের সরকারি হাসপাতাল থেকেও শিশু মৃত্যুর খবর আসতে শুরু করেছে।

যোধপুরের হাসপাতালে ডিসেম্বরের ১৪৬ টি শিশুর মৃত্যু
যোধপুরের এসএন মেডিক্যাল কলেজে শিশু বিভাগ সূত্রে খবর সেখানে ডিসেম্বরে প্রায় ১৪৬ টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications