Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নেতাজির জন্মদিনের সঙ্গেই প্রকট হয়েছে গুমনামি বাবা তত্বও

নেতাজির জন্মদিনের সঙ্গেই প্রকট হয়েছে গুমনামি বাবা তত্বও

নেতাজির জন্ম আছে , মৃত্যু নেই। প্রত্যেক ২৩ জানুয়ারি আসে এবং আরও একবার করে প্রশ্ন তুলে দিয়ে যায় সেই বিমান দুর্ঘটনায় কী সুভাষের মৃত্যু হয়েছিল? কিছু মানুষ বিশ্বাস করলেও বেশিরভাগ মানুষই মানতে চান না। আর এখানেই জন্ম হয় গুমনামি বাবা তত্বের। ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে আবারও প্রকট সেই প্রশ্ন। মূর্তি তৈরি হবে, বাঙালির আবেগে সুড়সুড়ি হবে কিন্তু নেতাজির মৃত্যু দিন কবে কিংবা গুমনামি বাবাই কি সুভাষ? সেই তত্ব কোনও কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশ্যে আনতে চায় না। শুধু ২৩ আসে আর যায়। থেকে যায় শুধুই চায়ের পেয়ালায় ঝড় তোলা তর্ক এবং বিতর্ক।

নেতাজির জন্মদিনের সঙ্গেই প্রকট হয়েছে গুমনামি বাবা তত্বও

১৯৪৫, তাইওয়ান। বিমান দুর্ঘটনা। নেতাজির মৃত্যু। খবর ছড়িয়ে দেওয়া হল সর্বত্র। কিন্তু বিশ্বাস করানো গেল না কারণ এমন চোখে ধুলো দেওয়া হাই রিস্ক গেম সুভাষ বহুবার খেলেছেন। তাই তো সুভাষকে বোঝা শক্ত। এরপর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন গল্প শোনা গিয়েছে। একবার বিশাল ভাবে ছড়িয়ে যায় সোলমারি আশ্রমে এক সাধু নাকি নেতাজি। সুভাষের খুব ঘনিষ্ঠ পবিত্র মোহন রায় সেখানে সেই বাবাজির সঙ্গে দেখা করে জানিয়ে দেন ইনি সুভাষ নয়। এরপরেই উত্তরপ্রদেশ থেমে আসে গুমনামি বাবার খবর। পবিত্র মোহন বাবু সেখানেও ছুটে যান। দেখা দেননি তিনি। প্রায় দেড় মাস বাইরে অপেক্ষার পর বাবার দেখা পান তিনি। তারপর থেকে বাবা একের পর এক স্থান বদলেছেন। তবে ওই উত্তরপ্রদেশেই। কখনও নামিসরন্য , কখনও বস্তি, কখনও অযোধ্যা এবং শেষে থিতু হন ফৈজাবাদে।

খুব কম জনের সঙ্গেই দেখা করতেন তিনি। অন্যতম পবিত্র মোহন রায়, দেখা করেছিলেন লীলা নাগ রায়ের সঙ্গে। পাশাপাশি তাঁর আরও কিছু অনুগামী তৈরী হয়েছিল তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন তিনি। একবার এমনই এক তেইশে জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে সুরেশ বোসের কাছে চিঠি পৌঁছেছিল , যেখানে লেখা ছিল শরৎচন্দ্রের কিছু বই ও কিছু ছবি পাঠিয়ে দেওয়ার আবদার। পাঠিয়ে দিয়েছিলেন দাদা সুরেশ।

১৯৮৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান গুমনামি বাবা। যদি ধরে নেওয়া হয় উনিই নেতাজি তাহলে তিনি মারা গিয়েছেন ৮৮ বছর বয়সে। অবাক করার মতো ঘটনা হল। গুমনামি বাবার মৃত দেহের কোনও ছবি নেই। কোনও ডেথ সার্টিফিকেটও নেই। বেশিরভাগ মানুষই জানতেন না বাবা জীবিত নেই। খবর জানা যায় ঘটনার ৪২ দিন পর। উত্তরপ্রদেশ সরকার তারপর গুমনামি বাবা তত্ব সম্পূর্ন উড়িয়ে দেয়। ২০১৬ সালে বিষ্ণু সহায় কমিশন বলে দেয় যে গুমনামি বাবা আসলে নেতাজির অনুগামী তাই তিনি নেতাজির এত কথা বলতে পারেন।।

কিন্তু তা যদি হয়ে থাকে নেতাজির ভাইঝি গুমনামি বাবার মৃত্যুর পর তাঁর ঘরে গিয়ে এমন এমন সব জিনিস খুঁজে পান যা বোস পরিবারের। অন্যতম নেতাজির বাবা মায়ের ছবি এবং শরৎ বসুর স্ত্রী'কে লেখা চিঠি। এমন ২০০০ চিঠির বেশ কিছু নিয়ে নেতাজির বিমান দুর্ঘটনার আগে লেখা চিঠি বিখ্যাত হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞ বাগেটকে দিয়ে বলতে বলা হয়েছিল এই দুই হাতের লেখা একই মানুষের কী না। তিনিও বলে দিয়েছিলেন এ লেখা একই মানুষের। কিন্তু কমিশনদের বোঝায় কার সাধ্য। মুখার্জি কমিশন জেদ ধরে বলে দেয় 'গুমনামি বাবা নেতাজি নয়'। কিন্তু বাস্তব ? সে তো অন্য তত্বই দিচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+