পথ দেখাচ্ছে দেশের এই বিশ্ববিদ্যালয়! ছয়মাসের Maternity Break পাবেন ছাত্রীরা
দেশের মধ্যে সে রাজ্যে শিক্ষার হার সবথেকে বেশি। ইতিমধ্য একাধিক সিদ্ধানহত গোটা দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। এই অবস্থায় পিরিয়ড লিভ এবং মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
Kerala University: পথ দেখাচ্ছে কেরল সরকার। ছাত্রীদের কথা ভেবে বড়সড় সিদ্ধান্ত কেরল (kerala) বিশ্ববিদ্যালয়ের। পড়াশুনা করছেন এমন সমস্ত ছাত্রীদের ছয় মাস পর্যন্ত মেটারনিটি ( maternity break) লিভ দেওয়া হবে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ( Kerala University) তরফে এহেন ঘোষণা করেছে।
আর সেই ঘোষণা অনুযায়ী, ১৮ বছর অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীরা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা চলাকালীন ৬ মাস পর্যন্ত মেটারনিটি ব্রেকের সুবিধা নিতে পারবেন। দেশের মধ্যে প্রথম কোনও বিশ্ববিদ্যালয় এমন সিদ্ধান্ত নিল। শুধু তাই নয়, ছাত্রীদের পিরিয়ড লিভেও ছাড় দেওয়ার কথা জানাল সে রাজ্যের সরকার। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ছাত্র সংগঠনগুলি।

ছয় মাস পর ফের পড়াশুনা শুরু করা যাবে
বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, যদি কোনও ছাত্রী ছয় মাসের মেটারনিটি লিভ নেয়, তাহলে ছয় মাস পর ফের ওই ছাত্রী তাঁর পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবেন। ওই ছাত্রীকে দ্বিতীয়বার আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই জানাচ্ছে কতৃপক্ষ। কয়েক সপ্তাহ আগেই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায় যে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে মহিলাদের উপস্থিতি ৭৩ শতাংশ করার কথা জানিয়েছিল। স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং পিরিয়ডের সময়ের ছুটির কথা মাথায় রেখে প্রতি সেমিস্টারে পরীক্ষায় ছাত্রীদের ন্যূনতম উপস্থিতি ৭৩ শতাংশ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ছয়মাসের মেটারনিটি লিভ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

কলেজের প্রিন্সিপালের অনুমতি নিতে হবে
বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানা গিয়েছে, ছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শুরু করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের প্রিন্সিপালের অনুমতি নিতে হবে। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে ছাত্রীদের তাঁর সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দিতে হবে। যা প্রিন্সিপাল খতিয়ে দেখবেন। আর এরপরেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।

পিরিয়ড লিভ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
এর আগে জানুয়ারি মাসে শিক্ষা বিভাগ সে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পিরিয়ড লিভ দেওয়ার নির্দেশ জানায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে, ছাত্রীদের ৭৩ শতাংশ উপস্থিতি থাকলেই তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারবে। জানুয়ারিতে, কোচিন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'তে ছাত্র ইউনিয়নের তরফে এই বিষয়ে দাবি তোলা হয়। আর এরপরেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে খবর। ছাত্রীরা একাংশের মতে, তাঁদের কথা ভেবে বিশ্ববিদ্যালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যুগান্তকারী। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে তাঁদের নানা সুবিধা হবে বলেও দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে এই সিদ্ধান্ত আগামীদিনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে পথ দেখাবে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications