পুলিশের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সহ বিভিন্ন দাবিতে উপাচার্যের অফিস ঘেরাও জামিয়া ছাত্রদের
জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন ছাত্রদের।
জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন ছাত্রদের। পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি,পুলিশের বিরুদ্ধে এফআইআইআর দায়ের ও ক্যাম্পাসে সুরক্ষা সুনিশ্চিত করার দাবিতে এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ছাত্ররা।

জামিয়া বিক্ষোভ
সদ্য পাশ হওয়া সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এই বিক্ষোভকে ছত্রভঙ্গ করতে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়ে দিল্লি পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ও লাঠি চার্জ করে। তার আগে সরাই জুলেইনা ও মথুরা রোডে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশের বক্তব্য চারটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।

অশান্তি ছড়ায় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও
সেই রাতে প্রায় ৫০ জন ছাত্রকেও আটক করে রাখা হয়। এরপর এই ঘটনায় সরকার ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকে বিরোধীরা। ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্ররা। জামিয়ার আঁচ গিয়ে পড়ে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।

পুলিশ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে
যদিও দক্ষিণ দিল্লির বিক্ষোভে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্ররা যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ওয়াসিম আহমেদ খান এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, পুলিশ বাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমাদের কর্মী এবং ছাত্রদের মারধর করা হচ্ছে। তাদের ক্যাম্পাস ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।
|
ছাত্রদের পাশে থাকার বার্তা উপাচার্যের
পরে একটি ভিডিও বার্তায় উপাচার্য ছাত্রদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, 'আমি খুব মর্মাহত। যেভাবে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে আচরণ করা হয়ছে সেটা আমাকে দুঃখ দিয়েছে। আমি তাঁদের সঙ্গে রয়েছি। আমার ক্ষমতা অনুযায়ী আমি এই বিষয়টি এগিয়ে নিয়ে যাব।' তবে এরপরেও বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্ররা।












Click it and Unblock the Notifications