রাহুলের চ্যালেঞ্জ নিতে পারলেন কই! পড়ুয়াদের সঙ্গে মুখোমুখি হতে কি ভয় প্রধানমন্ত্রী মোদীর
রাহুলের চ্যালেঞ্জ নিতে পারলেন কই! পড়ুয়াদের সঙ্গে মুখোমুখি হতে কি ভয় প্রধানমন্ত্রীর
দিন তিনেক আগে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন পড়ুয়াদের মুখোমুখি হওয়ার। বলেছিলেন, সাহস থাকলে দেশের পড়ুয়াদের প্রশ্নের জবাব দিন, তাঁদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে সামিল হোন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন না। তাঁর 'পরীক্ষা পে চর্চা' অনুষ্ঠানে এবার ডাকই পেলেন না কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।

পরীক্ষা পে চর্চা’য় বাদ পড়ুয়ারা
পরীক্ষার আগে প্রত্যকবার ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন নরেন্দ্র মোদী। এবারও সেই ‘পরীক্ষা পে চর্চা' অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের তত্ত্বাবধনায়। এবার সেই অনুষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের।

পাছে কেউ অস্বস্তিকর প্রশ্ন করে ফেলে
তাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রক। পাছে তারা কোনও অস্বস্তিকর প্রশ্ন করে ফেলে, সেই ভয়ে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কুলের গণ্ডি পার হওয়া ছাত্রছাত্রীদের এবার ব্রাত্য করেছে। শুধু স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মিলিত হবেন। তাঁদের পরীক্ষার আগে উৎসাহ দেবেন।

২০ জানুয়ারী ‘পরীক্ষা পে চর্চা’
মূলত বোর্ডের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে ২০ জানুয়ারী এই ‘পরীক্ষা পে চর্চা' নির্ধারিত করা হয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির হাজার দুয়েক স্কুল ছাত্রকে এবার মেগা ইভেন্টে অংশ নিতে দেখা যাবে। তবে কোনও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীকে এই ইভেন্টে ডাকা হচ্ছে না।

আগের দু’বার ছিল অন্য চিত্র
এর আগে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা দ্বারা আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্কুলছাত্রী ছাড়াও প্রায় ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে ডেকে আনা হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের পরীক্ষার পাশাপাশি অধ্যয়ন এবং জীবন সম্পর্কিত প্রশ্নও জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সারাদেশে বর্তমান অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রক তৃতীয় বছরের অনুষ্ঠানে প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের এই ইভেন্ট থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে
একজন কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কারণে আমরা এবার কোনও ঝুঁকি নিতে চাইনি। কারণ কলেজ শিক্ষার্থীরা আক্রমণাত্মক হতে পারে এবং অস্বস্তিকর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে। অন্যদিকে স্কুলের শিক্ষার্থীরা শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং তাদের সঙ্গে আসা শিক্ষকদের কথা তারা শুনবে।












Click it and Unblock the Notifications