ক্রেতা সুরক্ষার্থে আরও কড়া কেন্দ্র, সোমবারই দেশ জুড়ে কার্যকর হচ্ছে নতুন গ্রাহক সুরক্ষা আইন
আজ থেকে লাঘু হতে চলেছে গ্রাহক সুরক্ষা আইন ২০১৯, জেনে নিন বিশদে
করোনা আবহে বাজারে দুর্নীতি থেকে গ্রাহকদের বাঁচাতে প্রায় তিনদশক পুরনো গ্রাহক সুরক্ষা আইন, ১৯৮৬-কে এড়িয়ে আসতে চলেছে উপভোক্তা সুরক্ষা আইন, ২০১৯। সোমবার থেকে সারা দেশে এই নতুন আইন প্রণয়ন হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিক্রেতাদের কৌশল ও ভুল পথে চালনা করার প্রক্রিয়া থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত হবেন ক্রেতারা।

বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে কারাবাস
২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এই নতুন আইন কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, প্রযুক্তিগত কারণে তা পিছিয়ে মার্চে নিয়ে যাওয়া হয়। করোনা মহামারির সংকটে এই নতুন আইন প্রণয়ন করা কার্যত সম্ভবপর না হলেও, এই আইন বর্তমানে সত্ত্বর জারি করা জরুরি, এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, খাদ্য ও জন-বিতরণ মন্ত্রী। নব এই আইনে বিক্রেতাদের বিজ্ঞাপনী ক্ষমতার উপর প্রশাসনের পরিচালনাকে আরও সুদৃঢ় করা হয়েছে। এমনকি ভুল তথ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপনের কারণে বিক্রেতাদের জেল পর্যন্ত হতে পারে এই আইনের আওতায়।

কেন্দ্রীয় গ্রাহক সুরক্ষা বিভাগ গঠনের ভাবনা
গ্রাহক সুরক্ষা আইন, ২০১৯-এর আওতায় মূলত একটি কেন্দ্রীয় গ্রাহক সুরক্ষা বিভাগ(সিসিপিএ) গঠনের মাধ্যমে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের পরিচালনা সংক্রান্ত কার্যক্রমকে কেন্দ্রীকরণ করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। এই সিসিপিএ ভুল পথে চালনা করতে পারে এমন বিজ্ঞাপনদাতাদের থেকে ক্রেতাদের রক্ষা করবে এবং বিক্রেতাদের তলব, নথি পরীক্ষা, টাকা ফেরত এবং পণ্য ফেরতের মত সিদ্ধান্তও নিতে পারবে।

নব আইনে আইনজীবী ছাড়াই মামলা দায়ের করার ক্ষমতা ক্রেতাদের
বিজ্ঞাপনের যুগে ভুল তথ্যে ভরা বিজ্ঞাপন থেকে বাঁচবে ক্রেতারা, নতুন আইনের বিষয়ে এমনটাই ভাবছেন বিশেষজ্ঞরা। গ্রাহক সুরক্ষা আইন, ২০১৯-এর আওতায় সিসিপিএ ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও অনলাইনে মামলা করার পদ্ধতিও চালু হতে চলেছে। একরাশ নতুন নিয়মের মধ্যে ক্রেতাদের জন্য সুখবর হচ্ছে যে, যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনে আইনজীবী ছাড়াই মামলা করতে পারবেন ক্রেতারা। এছাড়া বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দিলে বিক্রেতারা জেল ও জরিমানার সম্মুখীন হবেন। বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত খ্যাতিমান ব্যক্তিকে হয়তো হাজতবাস করতে হবে না, তবে বিজ্ঞাপনের মুখ হওয়া থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিরত থাকতে হতে পারে তাঁকে।

কারা জরিমানার সম্মুখীন হতে পারেন ?
নতুন আইনের আওতায়, ক্রেতার কাছে ত্রুটিপূর্ণ পণ্য পৌঁছানোর দায় পড়বে পণ্য উৎপাদনকারী, পণ্য বিলিকারী সংস্থা এবং বিক্রেতার উপর। এক্ষেত্রে জরিমানা গুনতে হতে পারে তিন সংস্থাকেই। এছাড়া বিজ্ঞাপনী বিভ্রান্তি ছড়ানোর দায়ে পণ্য বিক্রয়কারী সংস্থাকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে, অনাদায়ে সংস্থার কর্ণধারের হতে পারে কমপক্ষে ২ বছরের জেল।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications