মোদী সরকারের স্ট্যাচু অব ইউনিটি পেল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
ক্ষমতায় আসার পরেই সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি তৈরির জন্য উঠে পড়ে লেগেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নর্মদা নদীর জলাধারের উপর তৈরি হয়েছিল এই বিশালাকৃতির মূর্তি।
ক্ষমতায় আসার পরেই সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি তৈরির জন্য উঠে পড়ে লেগেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নর্মদা নদীর জলাধারের উপর তৈরি হয়েছিল এই বিশালাকৃতির মূর্তি। যার নাম দেওয়া হয়েছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি। ৫৫৭ ফুট উঁচু সেই মূর্তি জায়গা করে নিয়েছে টাইমস পত্রিকার বিশ্বের উচ্চতম স্থানের তালিকায়।

কোথায় রয়েছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শাসিত বিজেপি সরকার উঠে পড়ে লেগেছিলেন এই মূর্তির জন্য গুজরাটে নর্মদা নদীর উপর তৈরি সর্দার সরোবর জলাধারেই তৈরি হয়েছে এই বিশালাকৃতি মূর্তি। যা বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি বলেই দাবি করেছে মোদী সরকার। এই মূর্তির উচ্চতা ১৮২ ফুট। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন তিনি।

জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি
সর্দাব বল্লভ ভাই প্যাটেলের এই মূর্তি এখন দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কয়েকদিন আগে পর্যন্ত এই মূর্তির নির্মাণ নিয়ে প্রবল বিরোধিত শুরু হয়েছিল। পরিবেশকর্মীরা দাবি করেছিলেন এই মূর্তি তৈরির জন্য প্রচুর গাছ কাটা হয়েছে এতে পরিবেশের ক্ষতি হবে। ওই এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসীদের রুজিতে টান পড়বে। বিজেপি সরকার অবশ্য সেই বিরোধিতায় কর্ণপাত না করেই কাজ করেছিল। উদ্বোধনের পরেই পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। একদিনে প্রায় ৩৪,০০০ পর্যটক এই মূর্তি দেখতে গেছেন। এমনও রেকর্ড হয়ে গিয়েছে।

সাহু হাউসও তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে
স্ট্যাচু অব ইউনিটি এই সাফল্যে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী। টাইমস পত্রিকা বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানগুলির তালিকায় ১০০টি জায়গার মধ্যে স্থান করে নিয়েছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি এবং মুম্বইয়ের শাহু হাউস। আরব সাগরের পাড়ে ১১ তলা বহুতলটি সাহু হাউস নামেি পরিচিত। ৩৮টি হোটেল রুম, সিনেমা হল, রুফটপ বার, সুইমিং পুল সবই রয়েছে এই বহুতলে। অসাধারণ সুন্দর এই বিল্ডিংয়ের অন্দর সজ্জা। রাজস্থানের বস্ত্রশিল্পের ছোঁয়া। সঙ্গে বড় বড় ভারতীয় শিল্পীদের আঁকা ছবি। মনোরম আলোক সজ্জা মুগ্ধ করবে অতিথিদের।
এই দুটি জায়গার সুবাদে ভারত জায়গা করে নিয়েছে টাইমস পত্রিকার তালিকায়। সেটা বিশেষ সম্মানের বলেই মনে করে থাকে গোটা বিশ্ব। কারণ টাইমস পত্রিকার এই সেরা বাছাই করার প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন। সূক্ষ্ম থেকে অতিসূক্ষ্ম জিনিস খতিয়ে দেখে তবেই তালিকায় তোলা হয়।












Click it and Unblock the Notifications