সিএএ-তে রাজ্যের কোনও ভূমিকাই নেই! মন্তব্য কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের
এবার সিএএ নিয়ে রাজ্যগুলির একের পর এক রেজোলিউশন পাশ নিয়ে মুখ খুললেন কংগ্রেস নেতা শশী থরুর। তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ সাফ জানিয়ে দিলেন, সিএএ নিয়ে কোনও ভূমিকাই নেই রাজ্যগুলির। তিনি আরও বলেন, 'সিএএ বিরোধী রেজোলিউশিন পাশ আদতে রাজনৈতিক চাল। তবে নাগরিকত্ব বিষয়টি কেন্দ্রের অধীনে। সেখানে রাজ্য সরকারের হাতে কিছুই করার নেই।'

শশী থারুরের বক্তব্য
শশী থারুর বলেন, 'যেই রাজ্যগুলি সিএএ বিরোধী রেজোলিউশন পাশ করছে তারা আসলে সেটুকুই করতে পারে। বা সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ্য হতে পারে তারা। তবে আদতে তারা সিএএ নিয়ে আর কী করতে পারে। কোনও রাজ্য সরকারই আসলে বলতে পারে না যে তারা কেন্দ্রে পাশ হওয়া কোনও ইন মানবে না। এই আইন লাগু করা তাদের হাতে নয়।'

এর আগে একই কথা বলেছিলেন কপিল
এর আগে প্রায় একই সুরে কথা বলেছিলেন আর এক কংগ্রেস নেতা। কোঝিকোড়ে কেরল সাহিত্য উৎসবে যোগ দিয়ে কপিল সিব্বল বলেছিলেন, 'কোনও রাজ্য সরকারের পক্ষে এটা বলা কঠিন যে আমরা সংসদে পাস হওয়া আইনকে মেনে চলব না। রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বার্তা দিচ্ছে তারা নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনআরপি নিয়ে অখুশি। এনআরসি তৈরি হয় এনআরপির উপরে ভিত্তি করে। এবং সেটা কোনও স্থানীয় রেজিস্ট্রার বাস্তবায়িত করবেন। বলা হচ্ছে আমরা রাজ্য স্তরের আধিকারিকদের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে দেব না। আমি জানি না এটা সম্ভব কিনা। এটা একটা ধূসর এলাকা। সাংবিধানিক ভাবে কোনও সরকারের পক্ষে এটা বলা কঠিন যে, আমি সংসদে পাস হওয়া আইন মেনে চলব না।'

কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিতে সিএএ বিরোধী প্রস্তাবনা
এদিকে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আহমদ প্যাটেল রবিবার জানিয়েছেন যে পাঞ্জাবের পথ অনুসরণ করে এবার কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিতে নতুন এই আইনটির বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব আনা হতে পারে। এই বিষয়ে আহমেদ প্যাটেল বলেন, 'পাঞ্জাবের পরে, আমরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যেগুলিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব আনার কথা ভাবছি। এই আইনের বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা হবে।'












Click it and Unblock the Notifications