চিন্নাইয়া মামলার রায় বাতিল! তফশিলি জাতি-উপজাতিদের উপ শ্রেণিকরণ নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের
তফশিলি জাতি-উপজাতিদের উপ শ্রেণিকরণে অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এই রায় দিয়েছে। এই রায় দিতে গিয়ে সাত বিচারপতির বেঞ্চ ছয়-এক-এ এই রায় দেন।
সুপ্রিম কোর্টের তরপে এদিনের রায়ে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের মধ্যে আরও পিছিয়ে পড়াদের জন্য আলাদা কোটার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে আদালত আরও বলেছে, রাজ্যগুলি চাকরি ও ভর্তিতে কোটার জন্য এসসি ও এসটি বিভাগে উপ শ্রেণিবিভাগ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

কী বলেছেন প্রধান বিচারপতি
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ বলেছে, এসসি-এসটিদের মধ্যে আরও পিছিয়ে পড়াদের জন্য উপ শ্রেণিবিভাগের আলাদা সংরক্ষণ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, ছটি মত রয়েছে। সেখানে অধিকাংশই ইভি চিন্নাইয়া মামলার রায় বাতিল করেছেন। বিচারপতিরা উপ শ্রেণিবিভাগকে অনুমোদন করেন বলে জানিয়েছেন। তবে বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী সেখানে ভিন্নতম পোষণ করেছেন। তিনি বলেছেন তফশিলি জাতি ও উপজাতিরা প্রায়ই পদ্ধতিগত বৈষম্যের মুখোমুখি হওয়ার কারণে ওপরের দিকে উঠতে পারেন না।
সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, পিছিয়ে পড়া শ্রেণী সমজাতীয় শ্রেণী ছিল না। এটা ঐতিহাসিক প্রমাণ। পাশাপাশি স্বামাজিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, সামাজিক অবস্থার অধীনে সব শ্রেণী অভিন্ন নয়। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, একটি শ্রেণী যে সংগ্রামের মুখোমুখি হয়, তা নিচের দিকে পাওয়া প্রতিনিধিত্বের সঙ্গে অদৃশ্য হয়ে যায় না।
কী বলেছেন বিচারপতি গাভাই
বিচারপতি বিআর গাভাই সহমত মতামত পড়ে বলেছেন, এসসি-এসটি বিভাগগুলির মধ্যে ক্রিমি লেয়ারগুলিকে সনাক্ত করতে একটি নীতি তৈরি করতে হবে এবং তাঁদেরকে সংরক্ষণ থেকে বের করে আনতে হবে। সত্যিকারের সমতা অর্জনের এটাই একমাত্র উপায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বেঞ্চে কারা কারা ছিলেন
বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিরুদ্ধ মত প্রকাশ করা বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী ছাড়াও অন্য বিচারপতিরা হলেন, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি পঙ্কজ মিথাল, বিচারপতি মনোজ মিশ্র, বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মা।












Click it and Unblock the Notifications