Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রাজ্যপালকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদ থেকে সরানোর অর্ডিন্যান্স গেল কেরলের রাজভবনে

এ যেন বাংলার ছায়া দেখা যাচ্ছে কেরলে। গতকাল রাজ্যপালকে সমস্ত বিশ্বদ্যালয়ের আচার্য পদ থেকে সরানোর প্রস্তাব পাশ হয়। আজ তা রাজভবনে পাঠানো হয়েছে। এমনটাই খবর সূত্রের। গতকাল ক্যাবিনেটে রাজ্যপালকে এই পদ থেকে অপসারিত করার পদ প্রস্তাব করা হয়েছিল। আজ সেই অর্ডিন্যান্স একদম রাজভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

রাজভবন সূত্রে খবর

রাজভবন সূত্রে খবর

রাজভবন সূত্রে এই খবর যে সত্য তা নিশ্চিত করা হয়েছে। কেরলে অনেক দিন ধরেই রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত। এখ তা চরমে পৌঁছে গেল। বাংলাতেও জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে এমন ভাবেই সংঘাত হয়েছিল। একের পর এক বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের সংঘাত বাঁধে। শেষে আঘাত হানতে সরিয়ে দেওয়া হয় আচার্যর পদ থেকে। বামেরা সেই সময় বাংলায় বিশেষ সরব হয়নি। সেই একই ছবি দেখা গেল কেরলে। বিজয়নের সরকার সেই পথে হাঁটল যে পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার হেঁটেছিল।

রাজ্যপালের সঙ্গে বিরোধ

রাজ্যপালের সঙ্গে বিরোধ

রাজ্যপালের সঙ্গে বিরোধে নবতম সংযোজন এটি কেরলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে । কেরলের এলডিএফ সরকার আগের দিন ডিমড ইউনিভার্সিটির নিয়ম সংশোধন করে আরিফ মহম্মক খানকে আচার্যের পদ থেকে অপসারণের আগে। পদটি এখন শিল্প সংস্কৃতির একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা পূর্ণ করা হবে। সরকারের সিদ্ধান্ত এমনটাই। পৃষ্ঠপোষক সংস্থা তাঁকে নিযুক্ত করবেন । এবার কেরল সরকার এখানে ডিমডি বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক সংস্থা।

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে

বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে সম্পর্কে অবনতি হয়েছে গত কয়েকমাস ধরেই। উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা কেরল সরকারের এই পদক্ষেপ। এর আগে কেরলের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, রাজ্যপাল যদি নিজেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে না নেন, তাহলে রাজ্য সরকার আগামী মাসে বিধানসভার অধিবেশন ডেকে আইন তৈরি করবে। বুধবার রাজ্যপালকে সরাতে অর্ডিন্যান্স আনার কথা বলেছিল কেরল সরকার। শিক্ষাবিদদের নিয়োগেরও সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল রাজ্যপালের জায়গায়। এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস ও বিজেপি।

বিতর্কের শুরু

বিতর্কের শুরু


গত ডিসেম্বরে কেরলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক শুরু। তাঁকে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে তা রাজ্যপাল সেই সময়েই অভিযোগ করেছিলেন। সিপিএম নেতার স্ত্রীকে কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মালায়লম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগের বিরোধিতা করেছিলেন রাজ্যপাল আরিফ খান । সেটা অগাস্টের ঘটনা। তিনি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকার অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ব্যক্তিগত সচিব কেকে রাগেশের স্ত্রী প্রিয়া ভার্গিসের বিরুদ্ধে। তারপর ৯ জন উপাচার্যের অপসারনের নির্দেশ দেন তিনি। সংঘাত চরমে পৌঁছাতে পৌঁছাতে আজন এই জায়গায় গেল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+