Hathras stampede: বাবাজির পায়ের ধুলো নিতেই হুড়োহুড়ি, হাথরসে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১২১
হাথরসে স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবার সৎসঙ্ঘে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১২১ জন। তার মধ্যে ১০৮ মহিলা। এবং ৭জন শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনার পরেই কিন্তু সেখান থেকে পালিয়ে যান স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা। ইতিমধ্যেই ফরেন্সিক টিম সেখানে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। আজ যাচ্ছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
এদিকে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে ৮০ হাজার লোকের সমাগমের অনুমতি নিয়ে এই সৎসঙ্ঘের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে হাজির হয়েছিলেন প্রায় আড়াই লক্ষ ভক্ত। সৎসঙ্ঘে প্রবেশ এবং বাহিরের পথ একটিই ছিল। তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন যে ভক্তরা ভোলেবাবার পদধুলি নিতে গিয়েছিলেন। তাই নিয়েই হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। সেই হুড়োহুড়ির জেরেই এই ঘটনা।

এই ঘটনার জন্য স্থানীয় জেলা প্রশাসনকে দায়ী করছেন সমাজবাদী পার্টি। অখিলেশ যাদব থেকে শুরু করে ডিম্পল যাদব সকলেই নিশানা করেছেন জেলা প্রশাসনকে। ডবল ইঞ্জিন সরকার থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এদিকে পদপিষ্টের ঘটনার মাঝেই সেখান থেকে চম্পট দেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। তবে তাতে স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবার নাম নেই। এই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। কেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু ওরফে ভোলেবাবার নামে এফআইআর দায়ের করা হল না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। ভোলে বাবা ওরফে সূরজ হথরস এটা সহ একাধিক জায়গায় নিজের প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। তাঁর ভক্তদের সংখ্যা নেহাত কম ছিল না।
প্রায়ই এলাকায় সৎসঙ্ঘের আযোজন করতেন তিনি। সেখানে বাবাজির পদধুলি নেওয়া ছিল প্রচলন। সেই পদধুলি নিতে গিয়েই মর্মান্তিক পরিণতি হয় হথরসে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। যোগী আদিত্যনাথ এই নিয়ে বিরোধীদের রাজনীতি করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন এতো মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি না করাই ভাল।












Click it and Unblock the Notifications