Hathras stampede: এখনও পলাতক স্বঘোষিত ধর্মগুরু, বাবাজির খোঁজে হন্যে পুলিস
পুলিশের চাকরি ছেড়ে ধর্মগুরু হয়েছিলেন বাবাজি। একাধিক জায়গায় সৎসঙ্ঘ করেই আয় করেন তিনি। তাঁর ভক্তের সংখ্যাও অগুন্তি। তাঁর প্রসাদি জল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন ভক্তরা। ঘটনারক পর থেকেই সেই বাবাজির আর খোঁজ নেই। গতকাল থেকেই তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ।
উত্তর প্রদেশের হথরসে গতকাল মর্মান্তির ঘটনা ঘটেছে। সৎসঙ্ঘে পদপিষ্ট হয়ে ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে অধিকাংশই শিশু এবং মহিলা। এই মর্মান্তিক ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ডগ স্কোয়াড এবং ফরেন্সিক টিম। উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে ঘটনার তদন্তে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা এই সৎসঙ্ঘের আয়োজন করেছিলেন। ভোলে বাবা কা নারায়ণ সাকার হরি সৎসঙ্ঘ নাম দিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আসলে এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর নাম নারায়ণ সাকার হরি। তিনি এটার পাটিয়ালির বাসিন্দা। বাবার চাষের জমিতেকাজ করতে সাহায্য করতেন তিনি।
তারপরে তিনি পুলিশে যোগ দেন। এবং কনস্টেবল পদে কাজ করতেন। ১৭ বছর তিনি পুলিশে কাজ করেছেন। তারপরেই তিনি নিজেকে ধর্মগুরু বলে ঘোষণা করেন। তবে ধর্মগুরু হিসেবে গেরুয়া বসন তিনি কখনওই পরতেন না। তাঁকে বেশিরভাগ দেখা যেত সাদা শার্ট প্যান্ট পরতে।
উত্তর প্রদেশের হথরাসে তাঁর লক্ষ ভক্ত ছিল। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনে মিলেই সৎসঙ্ঘ করতেন। ইতিমধ্যেই বাবাজির নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক স্বঘোষিত ধর্মগুরু। তাঁর এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। বাবাজির খোঁজে উত্তর প্রদেশের একাধিক এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২১ হয়ে গিয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু এবং মহিলা। উত্তর প্রদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ১৯৯০ সালে পুলিশের চাকরি থেকে ভলেন্টিয়ারি রিটারমেন্ট নিয়েছিলেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু বা সূরজ পাল। ১৮ বছর ধরে এই ধর্মগুরুর ভূমিকায় রয়েছেন তিনি।
এটা-কাশগঞ্জ-ব্রজ এলাকায় এই ধর্মগুরুর দাপট বেশি ছিল। লক্ষাধিত অনুগামী ছিল তাঁর। এমনকী মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানেও তাঁর অনুগামীরা ছিলেন। এতোটাই জনপ্রিয় ছিলেন ভোলেবাবা যে তাঁকে এড়িয়ে চলত সংবাদ মাধ্যমও। জানা গিয়েছেন পদপিষ্টের ঘটনার পরে তিনি গাড়ি করে সেখান থেকে চম্পট দেন।












Click it and Unblock the Notifications