মার্কিন কূটনীতিকদের স্ত্রী, স্বামীরাও এবার ভারতের নজরদারিতে

মার্কিন কূটনীতিকদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ব্যাপারে দরাজহস্ত ছিল ভারত। এ দেশের বিমানবন্দরে তাঁদের 'স্পেশ্যাল অ্যাকসেস' ছিল। তাঁদের খানাতল্লাশি করা হত না। মার্কিন দূতাবাসের আমদানিকৃত জিনিসের ওপর শুল্ক চাপানো হত না। এক কথায়, রাজকীয় মর্যাদার অধিকারী ছিলেন মার্কিন কূটনীতিকরা। অথচ ওদেশে ভারতীয় কূটনীতিকদের অনুরূপ সুবিধা দেওয়া হত না। কিন্তু, দেবযানী খোবরাগাডে ইস্যুতে ছবিটা পাল্টে যায়। ভারত সব সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়। ওয়াশিংটন আবেদন জানালেও তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। নয়াদিল্লি জানিয়ে দেয়, যদি ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য অনুরূপ সুবিধা চালু করা হয়, তবে বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।
এবার কেন্দ্রীয় সরকার বলল, মার্কিন কূটনীতিকদের স্ত্রী বা স্বামীরা এ দেশে যে আমেরিকান স্কুলগুলিতে পড়ান বা অন্যান্য কাজকর্ম করেন, সেই ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য চাই। কেউ 'ওয়ার্ক পারমিট' ছাড়াই এ দেশে কাজ করছেন। তাঁদের এ সব করা বন্ধ করতে হবে। নইলে সটান ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরিষ্কার, দেবযানী ইস্যুতে নয়াদিল্লি ঢোঁক গিলবে না।
এদিকে, দেশে ফিরে দেবযানী খোবরাগাডে দেখা করলেন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদের সঙ্গে। ওদেশে কীভাবে তাঁকে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications