৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৮৬১টি উড়ান বাতিল করল স্পাইস জেট

ইদানীং স্পাইস জেটের আর্থিক হাল খুব খারাপ। এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষগুলিকে বকেয়া দিতে পারছে না তারা। ২০০ কোটি টাকা বাকি পড়ায় ভারতের বিভিন্ন এয়ারপোর্টে স্পাইস জেটের সুযোগ-সুবিধা ছেঁটে দেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের দু'মাসের বেতন বাকি। এই পরিস্থিতিতে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা নামিয়ে এনেছে ডিজিসিএ (ডিরেক্টেরট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন) এবং এএআই (এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া)।
ডিজিসিএ দেশের অসামরিক বিমান পরিহণে চূড়ান্ত নিয়ামক সংস্থা। তারা নোটিশ দিয়ে বলেছে, ১০ দিনের ভিতর সব কর্মীর বেতন ও ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে স্পাইস জেটকে। নইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, বিমানবন্দরগুলির অভিভাবক এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া নির্দেশ দিয়েছে, বকেয়া ২০০ কোটি টাকা মিটিয়ে না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে কলানিধি মারানের সান গোষ্ঠীর মালিকানাধীন স্পাইস জেট এখন ঘোর বিপদের সম্মুখীন।
দেখুন: বাতিল উড়ানের তালিকা
আর্থিকভাবে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে স্পাইস জেট কর্তৃপক্ষ দ্বারস্থ হয়েছিল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী অশোক গজপতি রাজুর। কিন্তু তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, স্পাইস জেট নিজেই নিজেদের সঙ্কট ডেকে এনেছে। এ থেকে নিজেদেরই বেরোতে হবে। সরকার কোনওভাবে দায় নেবে না। মন্ত্রীর এই ঘোষণার পর স্পাইস জেটের শেয়ারও হুড়মুড়িয়ে নেমে গিয়েছে। ফলে সব দিক থেকে টাকা তোলার রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাদের।
জুলাই-সেপ্টেম্বরে স্পাইস জেটের লোকসান হয়েছে ৩১০ কোটি টাকা। অক্টোবর-ডিসেম্বরে এটা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কিংফিশারের পর এ বার যদি স্পাইস জেটও বন্ধ হয়ে যায়, তা হলে দেশের বিমান পরিবহণ শিল্প সঙ্কটে পড়বে নিঃসন্দেহে।












Click it and Unblock the Notifications