সভাপতির পদ ছাড়লে অমিত শাহের পরে কে! জল্পনা তুঙ্গে
রেকর্ড ভোটে জিতেছেন গান্ধীনগর থেকে। দল জিতেছে ৩০৩ টি আসনে। এমন পরিস্থিতিতে দল এবং সরকারে অমিত শাহের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।
রেকর্ড ভোটে জিতেছেন গান্ধীনগর থেকে। দল জিতেছে ৩০৩ টি আসনে। এমন পরিস্থিতিতে দল এবং সরকারে অমিত শাহের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। অমিত শাহ সরকারে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকে গেলে সভাপতির পদে কে আসবেন, সেই প্রশ্ন উঠছে মূলত। মোদী সরকারকে দ্বিতীয়বার সরকারে ফিরিয়ে আনতে পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রচারে নেতৃত্ব দেওয়ার কাজটি তিনিই করেছিলেন।

অমিত শাহকে নিয়ে জল্পনা
জল্পনা জোরদার হচ্ছে যে, পরবর্তী মোদী সরকারে যোগ দিচ্ছেন অমিত শাহ। আর সরকারে মোদীর পর তিনিই হবেন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তি। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতারা বলছেন, অমিত শাহের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তাঁরা কিছুই জানেন না। কেননা বিষয়টি নিয়ে মোদী কিংবা অমিত শাহ কোনও কথাই বলেননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, অমিত শাহের সরকারেই যোগ দেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। কেননা, সভাপতি হিসেবে তিনি সব থেকে বেশি সময় ইতিমধ্যেই কাটিয়ে
ফেলেছেন।
যদি অমিথ শাহ সরকারে যোগ দেন, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকই তিনি পাবেন। যাতে তিনি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটিতে তিনি থাকতে পারেন।

আরএসএস-এর সিদ্ধান্তের অপেক্ষা!
এর আগে দেখা গিয়েছে, বিজেপি আরএসএস-এর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থেকেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, বিজেপি বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে। সেক্ষেত্রে আরএসএস-এর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নাও থাকতে পারে। এমনটাই বলছেন, বর্ষীয়ান নেতা। তবে বিষয়টি নিয়ে আরএসএস-এর আশীর্বাদ তারা অবশ্যই নেবেন।

২০১৫ থেকে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ
২০১৫-র জুলাই থেকে বিজেপির সভাপতির পদে রয়েছেন অমিত শাহ। তাঁর পূর্বসুরী রাজনাথ সিং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দলের সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অমিত শাহ। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে তিন বছরেরর জন্য দলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন অমিত শাহ। তারপর তিন বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এবছরের জানুয়ারিতে তাঁর কার্যকালের মেয়াদও শেষ হয়েছে। লোকসভা নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কাজ চালিয়ে যেতে অনুরোধ করা হয়েছিল দলের তরফ থেকে।
দলের সভাপতি পদের জন্য এখনও কোনও নাম ঠিক না হলেও, এবিষয়ে মানদণ্ড কমবেশি পরিষ্কার। জানিয়েছেন দলেরই এক নেতা। প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং দলের সভাপতি অমিত শাহের সফলতম অংশীদার। তাই দলের নতুন সভাপতিকে মোদীর কাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে হবে। অমিত শাহ সফলভাবে এক বৃহৎ সংগঠন গড়ে তুলেছেন। দলে নতুন কাজ করার শৈলীও এনেছেন. যা নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে বিপুলভাবে সাহায্য করেছে। তবে তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি দেশের উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিমে সাফল্য পেলেও,
কর্নাটক ছাড়া দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে সাফল্য পায়নি।












Click it and Unblock the Notifications