ভারতে হামলা চালাবে Dawood-এর স্পেশাল ইউনিট! হিট লিস্টে রাজনেতা থেকে ব্যবসায়ী
ভারতকে টার্গেট করতে স্পেশাল ইউনিট বানিয়েছে দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-এর তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। আর তা আসার পরেই কার্যত উদ্বেগে বেড়েছে তদন্তকারীদের মধ্যে। কারন গোপন সুত্রে বে
ভারতকে টার্গেট করতে স্পেশাল ইউনিট বানিয়েছে দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-এর তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। আর তা আসার পরেই কার্যত উদ্বেগে বেড়েছে তদন্তকারীদের মধ্যে। কারন গোপন সুত্রে বেশ কিছু মারাত্মক তথ্য হাতে এসেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে।

আর সেখানে জানা যাচ্ছে ওই স্পেশাল ইউনিটের হিট লিস্টে একাধিক রাজনেতা, বিখ্যাত ব্যবসায়ীরা রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও সেই তালিকায় ঠিক কারা কারা রয়েছেন তা সামনে আনা হয়নি। তবে এনআইএ সূত্রের খবর, বিষয়টি সামনে আসার পরেই ওই সমস্ত রাজনেতা, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, দাউদ ইব্রাহিম এবং স্পেশাল ইউনিট ভারতে হামলারও ছক কষেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণ, অশান্তি ছড়ানোর পরিকল্পনাও নাকি দাউদ ইব্রাহিমের এই স্পেশাল ইউনিট সেরে ফেলেছে বলে দাবি এনআইএ'য়ের। তবে দাউদের টার্গেটে দিল্লি এবং মুম্বইতে অশান্তি ছড়ানোটাই টার্গেট বলেও জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে।
আর এই তথ্য সামনে আসার পরেই এই দুই রাজ্যেও নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে সমস্ত তথ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দাউদের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে একটি আর্থিক তছরূপ কেস দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যেখানে সন্ত্রাসে ইন্ধন দিতে কীভাবে টাকার জোগান চলছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসেরকে একাধিকবার জেরা করেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। money laundering-কেসে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর ইডি হেফাজতে থাকাকালীন ইকবাল কাসেরকে দফায় দফায় জেরা করছে ইডির তদন্তকারীরা। আর সেখানে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
উল্লেখ্য গত গত বছর মাঝামাঝি সময়ে মাদক মামলাতে গ্রেফতার করা হয় ইকবাল কাসেরকে। জম্মু-কাশ্মীরের মাদক মামলায় মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়। জম্মু কাশ্মীর থেকে ২৫ কেজি চরস কেনার পর তা পঞ্জাব নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে মুম্বইয়ে ওই মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের।
শুধু তাই নয়, দাউদের ভাইয়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের মতো মারাত্মক অভিযোগও রয়েছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে বসে দাউদ ইব্রাহিম। সে দেশের সরকার এবং সেনার নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকে ভারতে বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাস সহ একাধিক ইস্যুতে মদত দিয়ে থাকে দাউদ। যদিও এই বিষয়ে পাকিস্তান কখনও স্বীকার করে না।












Click it and Unblock the Notifications