ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন যেন! তালিবানদের সমর্থন করে মুখ ফস্কে একি বললেন যোগীর রাজ্যের সাংসদ
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন যেন! তালিবানদের সমর্থন করে মুখ ফস্কে একি বললেন যোগীর রাজ্যের সাংসদ
ভোটের মুখে অখিলেশের অস্বস্তি বাড়ালেন সমাজবাদী পার্টি সাংসদ। প্রকাশ্যে আফগানিস্তানের তালিবানি শাসনকে সমর্থন জানিয়েছেন সাংসদ সাফিকুর রহমান বরক। উত্তর প্রদেশের সম্বলের সাংসদ তিনি। আফগানিস্তানে তালিবানদের লড়াইকে িতনি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা পর্যন্ত করেছেন। তারপরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। তিনি দাবি করেছেন আমেরিকার মত দেশের শাসন থেকে নিজের মাতৃভূমিকে বাঁচানোর লড়াই চালিয়েছে তালিবানরা।

তালিবানদের সমর্থন
গোটা বিশ্ব যখন তালিবানদের নিেয় শঙ্কিত। আফগানিস্তানে তালিবানি শাসন নিয়ে উদ্বেগ আর চিন্তার মেঘ ঘনাচ্ছে গোটা বিশ্বের আকাশে। ঠিক তখনই উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির সাংসদ সফিকুর রহমান বরক তালিবানদের সমর্থন করে বসেছেন। তিনি দাবি করেছেন স্বাধীনতার লড়াই লড়েছে তালিবানরা। ভারত যেমন ব্রিটিশ শাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার লড়াই করেছিল।তালিবানরাও আফগানিস্তানকে আমেরিকার শাসন থেকে মুক্ত করারা লড়াই করেছে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে তালিবানদের কাবুল এব আফগানিস্তান দখলকে তুলনা করেছে সম্বলের সপা সাংসদ।

অস্বস্তি বাড়ল অখিলেশের
সামনেই বিধানসভা ভোট উত্তর প্রদেশে। সব রাজনৈতিক দলই ঝাঁপিয়ে পড়েছে ঘর গোছাতে। সমাজবাদী পার্টিও পিছিয়ে নেই। যোগীর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করেছে। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে শুরু করে দিয়েছেন অখিলেশ যাদব। ব্রাহ্মণরা আগেই বিজেপির থেকে মুখ ফিরিয়েছে। তারমধ্যেই আবার দলের সাংসদের এই মন্তব্য অস্বস্তি বাড়িয়েছে অখিলেশের। এই নিয়ে প্রবল রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। গোটা দেশ যখন তালিবানি শাসনের প্রবল বিরোধিতা শুরু করেছে সেখানে সপা সাংসদের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে তালিবানদের কাবুল দখলকে তুলনা করায় সমালোচনার পারদ আরও চড়েছে।

তালিবানদের দখলে আফগানিস্তান
এক সপ্তাহের মধ্যে গোটা দেশ তালিবানরা দখল করে ফেলেছে। আমেরিকার ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়ার পরেই শক্তি বাড়াতে শুরু করে তালিবানরা। একের পর এক আফগান সেনা তালিবানদের কাছে আত্মসমর্পন করতে শুরু করে। তারপরেই একে একে গজনী, কান্দাহার, লস্করগাহ, হেরাট দখল করে ফেলে তালিবানরা। শেষ টার্গেট ছিল কাবুল। সেটাও রাতারাতি প্রায় দখল নিয়ে নেয় তারা। কাবুলে তালিবানরা পা রাখতেই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালান প্রেসিডেন্ড আশরফ গনি। ওমানে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। তারপরেই প্রেসিডেন্টের প্যালেস দখল নেয় তালিবানরা। চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে গোটা দেশে। ২০ বছর আগে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কথা ভেবেই আতঙ্কে দেশ ছেড়ে পালাতে শুরু করেছেন আফগানরা। রাষ্ট্রপুঞ্জ প্রতিবেশি দেশগুলিতে সীমান্ত খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

সুশাসনের আশ্বাস তালিবানদের
কাবুল দখল করার পরেই দেশের নাম বদলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে তালিবানরা।একই সঙ্গে তাঁরা দেশবাসীকে আস্বস্ত করে বলেছে নারীদের সুরক্ষা দেবে তারা। এই নিয়ে দেশের মহিলা চিকিৎসক এবং মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তালিবানরা তাঁদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।এদিকে সেই প্রতিশ্রুতিতে ভরসা রাখতে পারছেন না। দেশ ছাড়ার হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিমানের চাকায় লুকিয়ে পালাতে গিয়ে ২ জন মারা গিয়েছেন। দুই দফায় ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে ভারতীয়দের আফগানিস্তান থেকে দেশে উড়িয়ে আনা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications