জাল জন্ম শংসাপত্র মামলা! আজম খান-সহ ছেলে ও স্ত্রীকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ
পরিবার-সহ উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টি নেতা আজম খানের জেলের সাজা। উত্তর প্রদেশের রমপুরের একটি আদালত এদিন সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান, তাঁর স্ত্রী তানজিম ফাতিমা, ছেলে আবদুল্লা আজম খানকে ২০১৯ সালের জাল জন্ম শংসাপত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে। পাশাপাশি তাঁদের সাত বছরের জেলের সাজা দিয়েছে।
প্রাক্তন সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন, আদালতের রায়ের পরে তিনজনকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আদালত থেকে তাঁদের সরাসরি কারাগারে পাঠানো হবে। এদিন সাংসদ-বিধায়ক আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শোবিত বনশাল তিনজন দোষীকে সর্্বোচ্চ সাত বছরের সাজা দিয়েছেন। উল্লেখ্য বিজেপি বিধায়ক আকাশ সাক্সেনা রামপুরের গঞ্জ থানায় ২০১৯-এর ৩ জানুয়ারি এফআইআর দায়ের করেছিলেন।

অভিযোগ ছিল, আজম খান এবং তাঁর স্ত্রী তাঁদের ছেলেকে দুটি জাল জন্ম তারিখ সম্বলিত শংসাপত্র পেতে সাহায্য করেছিলেন, যার একটি ছিল লখনৌ থেকে এবং অন্যটি রামপুর থেকে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, রামপুর পুরসভার জারি করা শংসাপত্রে আবদুল্লা আজম খানের জন্ম তারিখ ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য শংসাপত্রে বলা হয়েছে তিনি ১৯৯০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর লখনৌতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
আবদুল্লা আজম খান ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সুয়ার আসন থেকে সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁকে ইতিমধ্যেই ২০০৮ সালে সরকারি কর্মীর কাজে বাধা দেওয়া এবং তাঁকে আক্রমণ করার একটি মামলায় মোরাদাবাদ আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে।
দোষী সাব্যস্ত হওয়ার দুদিন পরে এবং ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দু-বছরের কারাদণ্ড প্রদানের পর, আবদুল্লা আজমকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা অযোগ্য ঘোষণা করে। অন্যদিকে সাজা স্থগিত চেয়ে তিনি হাইকোর্টে গেলে, সেই আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫১-র বিধান অনুসারে, যদি কেউ দু-বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার তারিখ থেকে অযোগ্য বলে বিবেচিত হন। এছাড়াও জেলে থাকার পর আরও ছয় বছরের জন্য অযোগ্য বলে গণ্য করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications