কংগ্রেসের উত্থান দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে জরুরি, ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা সোনিয়ার
পাঁচ রাজ্যে কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর সেই অবধারিত প্রশ্নটা উঠে পড়েছে এবার। দেশের রাজনীতিতে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ কী? কংগ্রেস কি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না? দেশের গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিয়ে চিন্তা বাড়ছে।
পাঁচ রাজ্যে কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর সেই অবধারিত প্রশ্নটা উঠে পড়েছে এবার। দেশের রাজনীতিতে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ কী? কংগ্রেস কি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না? দেশের গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিয়ে চিন্তা বাড়ছে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সোনিয়া গান্ধী বার্তা দিলেন ঘুরে দাঁড়ানোর।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, দেশকে রক্ষা করতে কংগ্রেসকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। কংগ্রেসের উত্থান দেশের গণতন্ত্রের পক্ষে জরুরি। সেজন্য কংগ্রেসের কী করণীয় তা সংসদীয় কমিটির বহঠকে বুঝিয়ে দিলেন দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-মনমোহনদের পাশে নিয়ে দিলেন বার্তা। দলের বিদ্রোহীদের নিয়েও বিশেষ ঐক্যের বার্তা শোনালেন তিনি।
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভায় ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। ফের একবার রাহুলের স্ট্র্যাটেজি ফেল করে। আর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীো চরম ব্যর্থ হন। এর ফলে কংগ্রেস জোর ধাক্কা খায় পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে। এবার অন্তত দুটি রাজ্যে বিজেপিকে হারানোর মতো জায়গায় ছিল তারা। তারপরও তলানিতে নেমে গেল কংগ্রেস। তাই গ্র্যান্ড পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, মোদীর কংগ্রেস-মুক্ত ভারতের ডাক সফল হয়ে যাবে না তো!
পাঁচ রাজ্যে পরাজয়ের পর সোনিয়া গান্ধী উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এবার আগামীর রাস্তা আরও চ্যালেঞ্জিং। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে তাই দলকে এক হতে হবে। মতানৈক্য ভুলে বিদ্রোহীদের প্রতি ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভনেত্রী সোনিয়া গান্ধী। মঙ্গলবার ১০ জনপথে সংসদীয় দলের বৈঠকে সকল স্তরের নেতৃত্বের প্রতি ঐক্যের বার্তা দেন তিনি।
কংগ্রেস সভানেত্রী বিজেপিকেও নিশানা করে বলেন, কেন্দ্রের শাসক দলের বিভাজনমূলক অ্যাজেন্ডার বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়তে হবে। শাসক দলের নেতাদের বিভাজন এবং মেরুকরণের রাজনীতিকে ভেঙে চুরমার করে দিতে হবে। ইতিহাসকে পরিকল্পিতভাবে বিকৃত করা হচ্ছে। শাসকদল শুধু ঘৃণা ও কুসংস্কার ছড়াচ্ছে। এই বিভেদকামী শক্তির মোকাবিলা করতে হবে শক্ত হাতে।
সোনিয়া গান্ধী বলেন, "আমরা দেশের মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনকে নষ্ট করতে দেব না। যে মৈত্রী ও সম্প্রীতি আমাদের বৈচিত্র্যময় সমাজকে শতাব্দীর পর শতাব্দী এক করে ধরে রেখেছে এবং দেশকে সমৃদ্ধ করেছে, তার রক্ষায় আমরা এক হয়ে লড়ব।" বিদ্রোহীদের উদ্দেশে বলেন, আসুন সবাই এক হয়ে কাজ করি। বিজেপির মতো বিভেদকামী শক্তিকে পরাজিত করি।
সোনিয়া গান্ধী বলেন, "ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের কাছে সর্বাধিক শাসনের অর্থ সর্বত্র ভয় এবং ভীতি ছড়ানো।" তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের নির্লজ্জ হুমকি এবং কৌশলে আমাদের ভয় পেলে চলবে না। আমরা নীরব থাকব না। পাঁচটি রাজ্যে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পরে কংগ্রেস সংসদীয় দলের বৈঠকে বসেন সোনিয়া গান্ধী। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং প্রাক্তন কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী ছাড়াও সংসদের উভয় কক্ষের সমস্ত দলীয় সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications