সেই গান্ধী পরিবারেই ভরসা কংগ্রেসের, রাহুলের 'শর্ত' ভেঙে এগিয়ে এলেন সোনিয়াই
রাহুলের নেতৃত্বে লোকসভা ভোটে মুখ থুবড়ে পড়েছিল কংগ্রেস। তারপরই নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। এমনকী ঘোষণা করে দেন, তিনি তো সভাপতি হবেনই না, গান্ধী পরিবারের কেউ সভাপতি হন চান না রাহুল।
রাহুলের নেতৃত্বে লোকসভা ভোটে মুখ থুবড়ে পড়েছিল কংগ্রেস। তারপরই নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। এমনকী ঘোষণা করে দেন, তিনি তো সভাপতি হবেনই না, গান্ধী পরিবারের কেউ সভাপতি হন চান না রাহুল। কিন্তু শেষপর্যন্ত রাহুলের সেই দাবি উড়িয়ে গান্ধী পরিবারের উপরই ভরসা রাখল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি।

রাহুল রাজি হননি
প্রায় সমস্ত প্রদেশ থেকেই রাহুল গান্ধীকে সভাপতি চেয়ে চিঠি এসেছিল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির কাছে। সেইমতো রাহুল গান্ধীকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল পদত্যাগ পত্র ফিরিয়ে নেওয়ার। কিন্তু রাহুল রাজি হননি। তিনি তৎক্ষণাৎ কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান। রাহুল রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়েই গৃহীত হয় রাহুলের পদত্যাগ।

সোনিয়াই দায়িত্বে
কিন্তু রাহুলের ছেড়ে যাওয়া হটসিটে বসবেন কে? তা নিয়ে সভা যখন ঘোর ধন্দে, তখনই সোনিয়ার নাম প্রস্তাব হয়। প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে দায়িত্ব নেওয়ার আর্জি জানান প্রবীণ-নবীন কংগ্রেস নেতারা। শেষপর্যন্ত ঘোর সংকটের সময় সোনিয়াই দায়িত্ব নিতে রাজি হন।

রাহুলের শর্ত ভঙ্গ
অর্থাৎ রাহুলের শর্ত ভেঙে যায় সেই সিদ্ধান্তে। রাহুল শর্ত দিয়েছিলেন, তিনি চান না, গান্ধী পরিবারের কেউ কংগ্রেসের সভাপতির আসনে থাকুন। অর্থাৎ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা বা সোনিয়ার মধ্যে কেউ হন, তিনি চান না। কিন্তু ঘুরে ফিরে সেই সোনিয়ার উপরই দায়িত্ব বর্তায়।

কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া
উল্লেখ্য, কংগ্রেসের বিপর্যয়ের দায় নিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতির পদত্যাগ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু মাসাবধিকাল কেটে গেলেও স্থায়ী সভাপতি পেল না কংগ্রেস। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হলেন সোনিয়া গান্ধী। শনিবার দীর্ঘ দু-ঘণ্টা বৈঠকের পর স্থির হয়, যতদিন না স্থায়ী সভাপতি হচ্ছেন, ততদিন দায়িত্ব সামলাবেন সোনিয়া গান্ধী। আপাতত আসন্ন ভোট পর্যন্ত সোনিয়াই থাকছেন কংগ্রেসের দায়িত্বে।












Click it and Unblock the Notifications