প্রধানমন্ত্রী মোদীর নিরাপত্তায় ত্রুটি! চান্নির সঙ্গে ফোনে কথা সোনিয়ার, কী বললেন কংগ্রেস সভানেত্রী
প্রধানমন্ত্রী মোদীর নিরাপত্তায় ত্রুটি! চান্নির সঙ্গে ফোনে কথা সোনিয়ার, কী বললেন কংগ্রেস সভানেত্রী
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তায় গলদ নিয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চান্নির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন সোনিয়া গান্ধী। ফোনে তিনি চান্নিকে বলেছেন,এই নিয়ে যেন চান্নি উপযুক্ত ব্যবস্থা নেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ইতিমধ্যেই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। সেখানে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁরা তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী চান্নি।

পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কংগ্রেসকে এই নিয়ে কোনঠাসা করে চলেছে বিজেপি। তারা আঙুল তুলেছে কংগ্রেসের শাসিত পাঞ্জাবের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
এদিকে। তবে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন এটা তাঁর পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতি নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয়ের নিরাপত্তা এবং তার পরিকল্পনা সবটাই কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে থাকে। রাজ্যপুলিশের কাছে সেসম্পর্কে কোনও তথ্য থাকে না। কাজেই এতে রাজ্য পুলিশের কোনও হাত নেই।
এদিকে বিজেপি বারবার দাবি করে চলেছে রাজ্যপুলিশের গাফিলতিতেই এই ঘটনা ঘটেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে দাবি করা হয়েছে সেদিন ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী কনভয় সেই রাস্তা দিয়ে যাবে তার তথ্য তাঁদের কাছে ছিল না। সেকারণেই কৃষকরা সেই পথ দিয়ে মিছিল করছিল। এদিকে আবার পাঞ্জাবের কংগ্রেস নেতা নভজ্যোত সিং সিধু পাল্টা বিজেপিকে নিশানা করে বলেছেন ফিরোজপুরে মোদীর সভায় লোক হয়না। তাই নজর ঘোরাতে এই কাণ্ড করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেও লোক হয়নি বুঝতে পেরেই নিরাপত্তায় ত্রুটি নিয়ে নাটক করেছেন। ৭০,০০০ েচয়ার ফিরোজ পুরের সভায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ৭০০ আসনও ভরেনি তাতে। কংগ্রেস নেতা অভিযোগ করেছেন১ বছরেরও বেশি সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী কৃষকদের সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন মনে করেনি। সেকারণেই মোদীর সফায় যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি পাঞ্জাবের কৃষকরা।
এদিকে এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা গড়িয়েছে। আজই সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। পাঞ্জাব পুলিশের বিরুদ্ধে সরাসরি আঙুল তুলেছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করেছে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দও এই নিয়ে বৈঠক করেছেন এবং কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গেএই নিয়ে রাষ্ট্রপতি নিজে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গত তিনদিন ধরে গোটা দেশে এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এদিকে আবার মোদী অনুরাগী বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতও এই নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি ইনস্টা পোস্টে স্টোরি শেয়ার করে লিখেছেন, পাঞ্জাব জঙ্গিদের ডেরায় পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তাঁকে পদে বসানোর ক্ষেত্রে ১০৪ কোটি ভারতবাসীর সমর্থন হয়েছে। সেখানে তাঁর নিরাপত্তায় ত্রুটির অর্থ হল দেশের গণতন্ত্রের উপর আঘাত হানা। এখনই পাঞ্জাবের পরিস্থিতি সামাল না দিলে আগামীদিনে পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাবে বলে অভিযোগ করেছেন কঙ্গনা।












Click it and Unblock the Notifications