যুদ্ধের আবহে লাদাখে মোদীর পা পড়তেই ধ্বনিত হল 'বন্দে মাতরম'!জওয়ানরা প্রধানমন্ত্রীকে পেতেই উচ্ছ্বসিত
লাদাখে ভারত মাতা কি জয়, বন্দে মাতরম ধ্বনিতে মোদীকে স্বাগত জানালেন জওয়ানরা
খবরটি গোপনে ছিল। যে খবর বাইরে এসেছিল , তাতে জানা গিয়েছিল যে এদিন লাদাখে সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত পৌঁছচ্ছেন। কিন্তু আচমকাই সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়ে সংঘাত বিধ্বস্ত লাদাখে পা রাখেন নরেন্দ্র মোদী। এরপর একের পর এক খবর এদিন শিরোনাম কেড়েছে।

ধ্বনিত হল 'ভারত মাতা কি জয়' থেকে 'বন্দে মা তরম'
প্রধানমন্ত্রীকে দেখে এদিন সেনা জওয়ানরা উচ্ছ্বসিত হয়ে যান। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তাঁরা 'বন্দে মাতরম', ' ভারত মাতা কি জয়' স্লোগান দিতে থাকেন। একই সুরে সুর মেলান মোদীও। এদিন সকালে লেহ-র নিম্বু বেস-এ মোদী পৌঁছতেই জওয়ানরা একযোগে স্লোগান দিতে থাকেন।

চমক দিলেন মোদী!
পূর্ব লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ২০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চিনের পিপল'স লিবারেশন আর্মি৷ তবে, ভারতের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জিনজিয়াংয়ে মোতায়েন চিনের ১০-১২ হাজার সেনা৷ জিনজিয়াংয়ে মোতায়েন চিন সেনাদের কাছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একাধিক গাড়ি ও অস্ত্র রয়েছে৷ যার সাহায্যে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় ভারতীয় সীমানার কাছে চলে আসতে পারে চিন৷ এই অবস্থায় রাজনাথের পরিবর্তে লাদাখে যাওয়ার কথা হয় সিডিএস বিপিন রাওয়াতের। তবে সবাইকে চমকে দিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে চলে গেলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী
লাদাখে এদিন আহত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন মোদী। সেখানে গিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতিও সরেজমিনে দেখে আসেন মোদী। এদিন বহুক্ষণ জওয়ানদের সঙ্গে সময়ও কাটান প্রধানমন্ত্রী।

মোদীর লাদাখ সফর চিনকে চিন্তায় ফেলবে!
ভারত ও চিনের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতির স্তরে কথাবার্তা চললেও সমস্যা সমাধানে এই প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ আর তার জন্য ভারতও নিজেকে প্রস্তুত করছে৷ সূত্রের খবর, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত চিনের এই সেনা মোতায়েন থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ এই আবহে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, ভারতীয় শিবিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চিনের সেনা খানিকটা মানসিক যুদ্ধনীতিতে ব্যাকফুটে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications