বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের গন্ধ, যৌন নির্যাতন মামলায় সুপ্রিম রায়ে স্বস্তিতে প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ
বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের গন্ধ, যৌন নির্যাতন মামলায় সুপ্রিম রায়ে স্বস্তিতে প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ
অবশেষে যৌন নির্যাতনের মামলা থেকে রেহাই মিলল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর। এই অভিযোগের পিছনে বড়সড় 'ষড়যন্ত্র’ থাকতে পারে বলেও মনে করছে আদালত। তাই এই বিষয়ে আর তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

সুপ্রিম রায়ে স্বস্তিতে রঞ্জন গগৈ
এমনকী সুপ্রিম কোর্ট এও বলেছে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বা এনআরসি সম্পর্কে নিজের অনমনীয় অবস্থান বজায় রেখেছিলেন রঞ্জন গগৈ। তাই এর সঙ্গে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যোগ থাকতে পারে। তাঁই শিকার হয়ে থাকতে পারেন প্রাক্তন বিচারপতি। সূত্রের খবর প্রাক্তন বিচারপতি একে পট্টনায়েকের রিপোর্টের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের গন্ধ
এদিকে এদিন বিচারপতি সঞ্জয় কিষণ কৌলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলে যে প্রায় দুই বছর হয়ে গিয়েছে। তাই এই সংক্রান্ত কোনও ইলেকট্রনিক রেকর্ডিং পাওয়া শক্ত বলে জানায় বেঞ্চ। তাই রঞ্জন গগৈয়ের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও বেঞ্চ ফিক্সিংয়ের যে অভিযোগ উঠেছিল তার নেপথ্য ও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত। এমনকী একই কথা বলছে একে পট্টনায়েকের রিপোর্টও।

কোনও ইলেকট্রনিক রেকর্ড খুঁজে পায়নি সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ প্যানেল
এদিকে এই অভিযোগ সামনে আসার পরে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যে মামলা চালু করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু এবার সুপ্রিম কোর্টেই বন্ধ হল সেই মামলা। মূল শুনানির আগে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের প্যানেলও সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে বলে জানা যাচ্ছে। তারপরেই সেই অভিযোগ থেকে মুক্ত করা হয়েছে রঞ্জন গগৈকে। এমনকী বিচারকরা এও জানিয়েছেন যে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি পাটনায়েকের প্যানেল কোনও ইলেকট্রনিক রেকর্ড খুঁজে পায়নি ষড়যন্ত্রের বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য।

উঠে আসে আইবি-র ডিরেক্টরের চিঠির কথাও
এদিকে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল প্রাক্তন বিচারপতি পাটনায়েকের প্যানেলকে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেখানে যে আদপে কিছুই মেলেনি এদিন তা বারবার জানান বিচারপতিরা। এমতাবস্থায গোটা মামলাটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া কার্যত অর্থহীন বলেই মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট। এই প্রসঙ্গে আইবি-র ডিরেক্টরের চিঠির কথাও উল্লেখ করেছে শীর্ষ আদালত। তা থেকেই যড়যন্ত্রের তত্ত্ব আরও জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত।












Click it and Unblock the Notifications