ভোটচুরি কে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে এসআইআর প্রক্রিয়া, রাহুল গান্ধীর অভিযোগে বিতর্ক
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের একবার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ঘিরে তীব্র অভিযোগ তুললেন। রবিবার মধ্যপ্রদেশের পাচমাড়িতে জেলা কংগ্রেস সভাপতিদের প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ উদ্যোগ এসআইআর আসলে ভোটচুরি ঢাকতে ও তাকে নিয়মতান্ত্রিক রূপ দিতে চালু করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, "ভোট চুরি একটা বড় সমস্যা। আর এখন এসআইআর সেই সমস্যাকে আড়াল করে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এক উপায়। এটা শুধু একটা ভুল নয়, এটা পরিকল্পিত।"

গত ৪ নভেম্বর থেকে নয়টি রাজ্য ও তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই বিশেষ নজরদারি প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু রাহুল দাবি করেছেন, এই পদক্ষেপ স্বচ্ছতার জন্য নয়, উপরন্তু একটি বৃহৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ।
তিনি বলেন, "কিছুদিন আগে আমি হরিয়ানাতে এর প্রমাণ দিয়েছিলাম। ২৫ লক্ষ ভোট অদৃশ্য, প্রতি আটজন ভোটারের মধ্যে এক জনের ভোট চুরি হয়েছে। সেই একই প্যাটার্ন আমি মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়ে দেখছি।"
রাহুল সরাসরি বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে বলেন,"এটা বিজেপি ও কমিশনের যৌথ কৌশল। আমাদের কাছে আরও তথ্য আছে, ধীরে ধীরে সবই সামনে আনব।"
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন গণতন্ত্র আক্রান্ত। আম্বেদকরের সংবিধান আক্রান্ত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ তারা মিলে 'ভারত মাতা'কে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।"
এদিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে রাহুল জানান, মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের জেলা সভাপতিদের রণকৌশল প্রশিক্ষণ নিয়ে দল ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।
অন্যদিকে বিজেপির প্রতিক্রিয়া রাহুলের অভিযোগ "বাস্তবহীন, রাজনৈতিক নাটক ও লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা" মাত্র।
তবে নির্বাচন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। রাহুলের এই অভিযোগ সেই বিতর্ককে আরও এক ধাপ উষ্ণ করে তুললো।












Click it and Unblock the Notifications