Sikkim Flood: হিমবাহের আকার ছোট হচ্ছিল অনেক আগে থেকেই, হ্রদের জলস্তর নিয়েও সতর্ক করা হয়েছিল
সিকিমে লোনক হ্রদের হরপা বানের পর থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। হিমবাহের জল থেকে এই হ্রদের সৃষ্টি। কিন্তু সেই হ্রদের জলের আয়তন কম নয়। হঠাৎ করে কীভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল তা নিয়ে একাধিক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।
এর আগেও নাকি একাধিকবার বিজ্ঞানীরা হ্রদের জলস্তর বৃদ্ধি নিয়ে সতর্ক করেিছল। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ২০১৯ একটি রিপোর্ট দিয়েছিল ২০১৩ সালে একদল বিজ্ঞানী নাকি রিপোর্ট দিয়েছিলেন ৫২৪৫ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই হ্রদের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।

রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছিল বারবার সেই হ্রদে ট্রেকিং করার জন্য সেখানকার উষ্ণতা বাড়ছিল। ২০১৪ সালে সেখানে একদল অভিযাত্রী প্রথম তুষার ধসের মুখে পড়েছিলেন। তারপরেই একদল বিজ্ঞানী সেখানে গিয়েছিলেন এবং ফিরে এসে তাঁরা জানিয়েছিলেন হ্রদের অবস্থা একেবারেই ভাল নয়। বড় কোনও বিপদ যেকোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে। আগে থেকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরিকল্পনা করা উচিত সিকিম সরকারের।
এবং সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল হ্রদের উপর জলের চাপ বাড়ছে। কারণ উষ্ণায়নের কারণে হিমবাহ গলতে শুরু করেছে। তাই জলের চাপ কমাতে পাইপলাইন দিয়ে হ্রদের জল অল্প অল্প করে সরিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু েসই পাইপলাইনের মাধ্যমে জল নামানো নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। কারণ জল নামাতে গেলে সেটি বরফ হয়ে পাইপ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
২০১৬ সালে আবার ইন্দো টিবেটিয়ান পুলিশ এবং সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের একদল প্রতিনিধি ও লাদাখের সোনম ওয়াংচুকের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে যায়। তারা সেখানে গিয়ে দেখতে পায় কোনও রকমের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ সেই মুহূর্তে করা সম্ভব নয় কারণ তখন সুপ্ত বরফ গলতে শুরু করেছিল। তারপরে ওয়াংচুক প্রস্তাব দেন মোটা পলিথিনের পাইপ দিয়ে জল পাম্প করে বের করে আনার। সেই সঙ্গে জলস্তর মাপার মনিটর তৈরি করার কথাও বলেছিলেন। সেটাই ছিল হিমাবাহ থেকে তৈরি কোনও হ্রদে এই ধরনের প্রক্রিয়া।












Click it and Unblock the Notifications