Sikkim Flood - হিমবাহের জল জমে তৈরি লোনক হ্রদ, হড়পা বানের পর ৬৫ শতাংশ কমে গিয়েছে আয়তন
চুংথাঙের লোনক হ্রদ। সিকিমের ভায়াবহ বিপর্যয়ের মূল কারণ যে জায়গাটি সেই হ্রদের উপগ্রহ চিত্র পাঠিয়েছে ইসরো। তাতে দেখা গিয়েছে হরপা বানের পর সিকিমের সেই লোনক হ্রদের আয়তন প্রায় ১০৫ হেক্টর এলাকা কমে গিয়েছে।
হিমবাহের জল গলে এই লোনক হ্রদের সৃষ্টি। সেখানেই বুধবার ভোর রাতে ঘটেছিল বিপর্যয়। মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উপচে পড়ে হ্রদের জল। তার জেরেই এই মহাপ্লাবন। ইসরোর উপগ্রহ চিত্র দেখা গিয়েছে ভোর ৬টা নাগাদ মেঘফাটা বৃষ্টি হয় এই হ্রদে। তারপরেই ফেটে যায় হ্রদটি। এবং হ্রদের জল তীব্র গতিতে নেমে আসে পাহাড় বেয়ে।

দেখা গিয়েছে হরপা বানের পর হ্রদটির ৬৫ শতাংশ জল জমে গিয়েছে। অর্থাৎ ১০৫ হেক্টর হ্রদের জল বেরিয়ে গিয়েছে। মাত্র ৬০ হেক্টর এলাকায় জল রকয়েছে সেটাও নাম মাত্র। এই নিয়ে জোর গবেষণা শুরু হয়েছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই সিকিম এবং উত্তরবঙ্গের পাহা়ড়ের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করেছিল।
এই হ্রদ ফেটে যাওয়ায় একতোড়ে বিপুল পরিমান জল রাশি সিকিমের চুংথাংকে একেবারে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এমনকী তিস্তার জলের স্তর ৩০ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা উত্তর বঙ্গে। সিকিমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সিংথাম একেবারে ভেসে গিয়েছে। রাতের অন্ধকারে প্রাণ হাতে করে ছুটেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের দেহ উদ্ধার করা িগয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২২ জন জওয়ান। প্রায় ৩ হাজার পর্যটক এখনও আটকে রয়েেছন সিকিমে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ তলিয়ে গিয়েছে তিস্তার গর্ভে। এখনও শতাধিক মানুষ নিখোঁজ। একতলা বাড়ি গুলি নদীর গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। তিস্তা বাজার প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে।
সিকিমে িবপর্যয় মোকাবিলা আইন কার্যকর করা হয়েছে। সেনা এবং এনডিআরএফ যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিকিমকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। পর্যটকদের এয়ার লিফক করে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সিকিমকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। উত্তরবঙ্গে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েেছ উদ্ধারকাজ।












Click it and Unblock the Notifications