মিশ্রণ নেওয়ার পর কাজ না করে তাহলে কোন সংস্থাকে দোষারোপ করা হবে? প্রশ্ন সাইরাস পুনাওয়ালার
গত কয়েকদিন ধরে ভ্যাকসিন মিশ্রণ নিয়ে জল্পনা চলছে দেশের। সূত্রের খবর, কিছুদিনের মধ্যেই হয়ত অনুমোদন পাবে ভ্যাকসিন মিশ্রন। অর্থাৎ দুই আলাদা সংস্থার ভ্যাকসিনের একটি করে ডোজ নিলেই টিকাকরণ সম্পূর্ণ হবে।
গত কয়েকদিন ধরে ভ্যাকসিন মিশ্রণ নিয়ে জল্পনা চলছে দেশের। সূত্রের খবর, কিছুদিনের মধ্যেই হয়ত অনুমোদন পাবে ভ্যাকসিন মিশ্রন। অর্থাৎ দুই আলাদা সংস্থার ভ্যাকসিনের একটি করে ডোজ নিলেই টিকাকরণ সম্পূর্ণ হবে। কিন্তু যদি কোনও কারণে এই মিশ্রণ নেওয়ার পর তা কাজ না করে তাহলে কোন সংস্থাকে দোষারোপ করা হবে, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েই।

এক্ষেত্রে দুই সংস্থা পরস্পরকে দোষারোপ করার সম্ভাবনাই বেশি। এমনটা হলে কি হতে পারে তা বোঝালেন সাইরাস পুনাওয়ালা। সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ডঃ সাইরাস পুনাওয়ালা এই ভ্যাকসিন মিশ্রণের পক্ষে নয়।
কিছুদিন আগেই এই ভ্যাকসিনের মিশ্রণের ট্রায়ালের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। কিন্তু সাইরাস পুনাওয়ালার কথায়, এই ভ্যাকসিন মিশ্রণের কোনও প্রয়োজন নেই। তিনি জানিয়েছেন, যে তিনি এই ভ্যাকসিনেশনের বিরোধী।
তিনি বলেন, যদি এই ককটেল ভ্যাকসিন কাজ না করে সেক্ষেত্রে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া দ্বিতীয় সংস্থাকে দোষ দেবে এবং দ্বিতীয় সংস্থাও সেরাম ইনস্টিটিউটকে দোষারোপ করবে। সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া তৈরি করছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন, ভারতে যার নাম কোভিশিল্ড। এই কোভিশিল্ড হল একটি ভেক্টর বেসড ভ্যাকসিন।
অন্যদিকে ভারত বায়োটেকের তৈরি করছে কোভ্যাকসিন, যেটি আসলে ইনঅ্যাক্টিভেটেড হোল ভাইরাস ভ্যাকসিন। অর্থাৎ দুই ভ্যাকসিনের উপাদান দু'রকম। টিকাকরণের শুরুতেই কেন্দ্রের তরফে যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছিল, তাতে বলা হয়, করোনা টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ যেন এক সংস্থারই হয়। অর্থাৎ প্রথম ডোজ় কোভিশিল্ডের হলে যেন দ্বিতীয় ডোজ কোভ্যাক্সিনের না হয়।
একই সংস্থার দুটি টিকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু, উত্তর প্রদেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভুলে এক গ্রামের বহু বাসিন্দার টিকাকরণে গরমিল হয়। এরপরই কেন্দ্রের তরফে দুই টিকার মিশ্রণ কতটা কার্যকরী, তা পরীক্ষার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আইসিএমআরের সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দুটি ভ্যাকসিনের মিশ্রণেই নাকি অধিক কার্যকারিতা দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ যারা একই সংস্থার দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের তুলনায় দুটি আলাদা ভ্যাকসিনের ডোজ নেওয়ার ব্যক্তির শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তৈরি হয়েছে।
পুণের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির তরফে একটি গবেষণা চালানো হয়। উত্তর প্রদেশের সিদ্ধার্থ নগরে যে ১৮ জন বাসিন্দা দুই আলাদা সংস্থার টিকার ডোজ নিয়েছিলেন, তাঁদের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications